বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ঢাকা

জনস্বাস্থ্যে আইসিডিডিআরবির অবদান অসামান্য: ডব্লিওএইচও প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬ মে ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম

শেয়ার করুন:

ICDDR,B
আইসিডিডিআর’বি হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শনকালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশীদ মোহাম্মদ। ছবি: সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্য নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর’বি)। বৈশ্বিকভাবে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলছে প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার (৫ মে) আইসিডিডিআর’বি হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শনকালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ((ডব্লিওএইচও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশীদ মোহাম্মদ এসব বলেন। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা শাস্ত্রে পড়াশোনা শুরু করার আগেই আইসিডিডিআর’বি সম্পর্কে জানতাম। এখানে আসার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আগ্রহী ছিলাম।’


বিজ্ঞাপন


আইসিডিডিআর’বির হাসপাতাল পরিদর্শনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে ডব্লিওএইচওর প্রতিনিধি দল। এতে অংশ নেন ডব্লিওএইচওর সমর্থিত বিভিন্ন উদ্যোগ ও বৈশ্বিক কারিগরি কমিটিতে যুক্ত আইসিডিডিআর’বির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডব্লিওএইচওর অপারেশনস স্পেশালিস্ট ক্রিস্টাল কাদাক।

সফরের শুরুতে প্রতিনিধি দল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ), পুষ্টি পুনর্বাসন ইউনিট এবং এসআরএইচআর ইউনিট ঘুরে দেখেন তারা। প্রতিনিধিদলকে ডায়রিয়াজনিত রোগ, অপুষ্টি এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, পাশাপাশি স্তন্যদান পরামর্শসহ কেন্দ্রটির বিনামূল্যের সেবাসমূহ সম্পর্কে অবহিত করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। 

পরিদর্শনের সময় তাদের আইসিডিডিআর’বির স্বল্পমূল্যের নিউমোনিয়া ও হাইপোক্সেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বুদবুদ (সিপিএপি) সম্পর্কে জানানো হয়। এই প্রযুক্তির ব্যবহার তুলে ধরেন ডা. জোবায়ের চিশতি, যার মধ্যে রয়েছে হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট ব্যবস্থাপনায় এর প্রয়োগ। এটি বাংলাদেশজুড়ে শিশুদের বেঁচে থাকার হার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এ সময় নিয়মিত কারিগরি জ্ঞান বিনিময়, আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, কার্যক্রমভিত্তিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করা এবং স্বাস্থ্যনীতি, মহামারীবিদ্যা ও ডেটা অ্যানালিটিক্সে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে উপস্থাপনা করেন ডা. তাহমিদ আহমেদ।


বিজ্ঞাপন


তিনি ডায়রিয়াজনিত রোগ, অপুষ্টি ব্যবস্থাপনা, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, ওয়াশ এবং সংক্রামক রোগ নজরদারিতে আইসিডিডিআর’বির দক্ষতাও তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে প্রতিনিধিদলটি আইসিডিডিআর’বির জিনোমিকস সেন্টার পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান চলমান জিনোমিক গবেষণা এবং ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য নেক্সট-জেনারেশন সিকোয়েন্সিং চালুর বিষয়ে অবহিত করেন, যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি পূরণে সহায়ক উদ্যোগ।

এসএইচ/ক.ম 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর