প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে আমরা এখন বাড়িতে বা অফিসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসি ব্যবহার করছি। কিন্তু অতিরিক্ত এসি ব্যবহারের ফলে শরীরের পাশাপাশি আমাদের অমূল্য চোখের যে কী মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, তা আমরা অনেকেই জানি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসির কৃত্রিম শুষ্ক বাতাস চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয়।
আরও পড়ুন: গরমে এসি চালানোর আগে এই কাজগুলো না করলে হতে পারে বড় বিপদ
বিজ্ঞাপন
চিকিৎসকদের মতে, গ্রীষ্মকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, তার ওপর এসির টানা বাতাসে চোখ দ্রুত শুকিয়ে যায়। এর ফলে চোখে জ্বালাপোড়া, লালভাব এবং অস্বস্তির মতো জটিল সমস্যা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে এসি ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা উচিত। বাইরে যদি তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে, তবে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এসি চালানো যেতে পারে। আর তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে দিনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা এসি চালানোই যথেষ্ট। তবে কোনোভাবেই একটানা দীর্ঘ সময় এসি চালানো ঠিক নয়, মাঝে মাঝে বিরতি দেওয়া জরুরি। অতিরিক্ত এসি ব্যবহারের ফলে চোখের জলীয় অংশ শুকিয়ে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিশক্তির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন
চোখ ভালো রাখতে এসি ব্যবহারের পাশাপাশি আরও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এসি ঘর থেকে হঠাৎ করে কড়া রোদে বের হওয়ার সময় অবশ্যই ভালো মানের সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে। সস্তা বা নিম্নমানের চশমা চোখের সুরক্ষার বদলে উল্টো ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া বর্তমান সময়ে দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন টাইম বা মোবাইল-ল্যাপটপের ব্যবহারও চোখের ওপর চাপ বাড়ায়। তাই প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর চোখকে বিশ্রাম দেওয়া এবং ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা উচিত যাতে চোখের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
এজেড

