বাংলাদেশের অধিকাংশ রোগী গরিব। স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় বহুল হওয়ায় সেবা নিতে গিয়ে হারিয়ে ফেলেন সর্বস্ব। এমনকি বিক্রি করতে হয় ভিটেমাটিও।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে এশিয়া প্যাসিফিক ম্যানেজমেন্ট একাউন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের (এপিএমএএ) ওয়েবিনারের এমন মন্তব্য করেন বক্তারা।
বিজ্ঞাপন
ওয়েবিনারে অংশ নেন ৫০টি দেশের চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তারা। এতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার ওপর আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ ও হেড অব এপিএমএএ (বাংলাদেশ চ্যাপ্টার) অধ্যাপক ফারহানা বেগম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাপানের কানন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুসুমু ইউনো ও বিএমইউর পরিচালক (ফাইন্যান্স ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, চিকিৎসা শিক্ষা এবং গবেষণা দুটি অপরের সঙ্গে জড়িত। হাসপাতাল পরিচালনা করতে নানা বিষয় জড়িত। হেলথ ফাইন্যান্স এবং ম্যানেজমেন্ট জানতে হয়। একজন রোগী হাসপাতাল ও সরকার থেকে কতটুকু পাবে এবং কী করণীয় তা ভালোভাবে জানতে হবে ও বুঝতে হবে।
বিজ্ঞাপন
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রোগীরা অনেক গরিব এবং দরিদ্র। তারা সেবা নিতে এসে সর্বস্ব হারিয়ে ফেলে এবং জমির বাড়ি-ভিটা চলে যায়। সেইসঙ্গে সবকিছু হারিয়ে রোগীরা মৃত্যুর মুখে ঝুঁকে পড়ে। তারা বলেন, আমাদেরকে এমনভাবে বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। যাতে স্বাস্থ্যসেবা সবার কাছে সহজ হয়। স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ খুবই কম। এতে সঠিক সময়ে ঠিক সেবা দেয়া যায় না।
বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম থাকায় রোগীরা সন্তুষ্টি নিয়ে সেবা পাচ্ছে না। সেবায় নানা ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে হাসপাতালে নানা ধরনের সংকট থাকে। তারা বলেন, চিকিৎসকরা রোগীদেরকে পর্যাপ্ত সেবা দিতে চান। কিন্তু হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কারণে দিতে পারছেন না। রোগীদের চাইলেও সব সেবা দেওয়া যাচ্ছে না।
এসএইচ/ক.ম

