প্রথম পর্বের মতো সিনেমা হলে ঝড় তুলেছিল রণবীর সিং ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। বক্স অফিসে বিজয় নিশান উড়িয়ে এবার সিনেমাটি সংগীতের সর্বোচ্চ সম্মান গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
৬৯তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে প্রতিযোগিতা করতে প্রস্তুত ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। এরইমধ্যে একাধিক বিভাগে মনোনয়নের জন্য জমা পড়েছে ছবির একাধিক সাউন্ডট্র্যাক। সিনেমাটির নয়টি গান-ই মনোনয়নের ইদুর দৌড়ে রয়েছে। পুরো অ্যালবামটি জমা দেওয়া হয়েছে ‘বেস্ট কম্পাইলেশন সাউন্ডট্র্যাক ফর ভিজ্যুয়াল মিডিয়া’ বিভাগে।
_20261010_145841584.jpg)
বাকি নয়টি গান আলাদা আলাদাভাবেও জমা পড়েছে বিভিন্ন বিভাগে। ‘বেস্ট সং রিটেন ফর ভিজ্যুয়াল মিডিয়া’ বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে অরিজিৎ সিংয়ের গাওয়া ‘ফির সে’ গানটি। বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স’ বিভাগে মনোনয়ন পেতে মরিয়া বম্বে রকার্স, খান সাব, জ্যাসমিন স্যান্ডলাস, রেবল, টোকেন ও সুধীর যাদুবংশীদের গাওয়া ‘আরি আরি’। ‘বেস্ট গ্লোবাল মিউজিক পারফরম্যান্স’ বিভাগে মনোনয়ন প্রত্যাশী ‘জান সে গুজরাতে হ্যায়’ এবং ‘কানহাইয়া’ গান দুটি।
‘বেস্ট পপ ডুও/গ্রুপ পারফরম্যান্স’ বিভাগে জমা পড়েছে জ্যাসমিন স্যান্ডলাস ও সতিন্দর সরতাজের গাওয়া ‘যাইয়ে সাজনা’। ‘বেস্ট র্যাপ পারফরম্যান্স’-এর জন্য রয়েছে ‘ডেস্টিনি – মন আটকিয়া’। ‘ভারি জাভান’ জমা পড়েছে ‘বেস্ট ড্যান্স/ইলেকট্রনিক রেকর্ডিং’ বিভাগের জন্য। ‘হাম প্যায়ার করনে ওয়ালে’ গানটি পাঠানো হয়েছে ‘বেস্ট রিমিক্সড রেকর্ডিং’ বিভাগে। এখন মনোনয়নের অপেক্ষা। তবেই ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিতব্য গ্র্যামি আসরে লড়াই করতে পারবে ভারতীয় সিনেমাটি।
_20261010_145853906.jpg)
গেল মার্চে প্রেক্ষাগৃহে আসে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। চারদিনেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিস থেকে তুলে নিয়েছিল ৭৬১ কোটি রুপি। ৩৫ দিনে ভারত থেকে ছবিটি আয় করে ১,১২১.০৯ কোটি রুপি এবং বিশ্বব্যাপী ব্যবসা করেছিল ১ হাজার ৭৬৩ কোটি রুপির। গ্র্যামির আসরে কতটা তেজ দেখাতে পারে সিনেমাটি— সেটাই দেখার অপেক্ষা।
আরআর




