ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুরুচিপূর্ণ পোস্টার বহনের অভিযোগের খেসারত দিয়েই যেতে হচ্ছে টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে। একে একে ১৬টি মামলা হয়েছে তার নামে। এবার এ নিয়ে পদক্ষেপের নির্দেশ দেশটির আদালতের।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীলেখার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে নিষেধ করেছেন ভারতীয় হাইকোর্ট। গেল শুক্রবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালত এ নির্দেশ দেন। এতে যেন স্বস্তি মিলল অভিনেত্রীর।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশ, আগামী ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শ্রীলেখার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী ১৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এরমধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে।
ওই দিন শ্রীলেখার মামলাগুলো খারিজের আবেদনও করা হয় আদালতে। অভিনেত্রীর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি জানান, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মোট ১৬টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট পোস্টারটি হয়তো রুচিহীন বা আপত্তিকর হতে পারে, কিন্তু তার ভিত্তিতে ফৌজদারি মামলা চালানোর মতো অপরাধ হয়েছে কি না, সেটিই মূল প্রশ্ন।
এদিকে আদালত জানতে চান, “এমন পোস্টার কী ভাবে প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা যায়?” যদিও শুনানি শেষে শ্রীলেখার বিরুদ্ধে কোনো কড়া পদক্ষেপ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের এমন পদক্ষেপে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে শ্রীলেখা বলেন, ‘এটাই আশা করেছিলাম আদালতের কাছ থেকে। আমার আইনজীবীদের ধন্যবাদ।’
ককরোচ আন্দোলনে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন তারকারা। সে দলে ছিলেন শ্রীলেখাও। তার হাতে বহন করা পোস্টারে মোদির কুরুচিপূর্ণ ছবি ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরইও অভিনেত্রীর নামে একাধিক মামলা জমতে থাকে।
নিজের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জবাবও দিয়েছিলেন শ্রীলেখা। দাবি করেছিলেন, নি পোস্টারটি ভালো করে দেখতে পাননি। সেদিন চশমা সঙ্গে না থাকায় পোস্টারে কী ছবি রয়েছে, তা স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
আরআর




