নায়কের প্রয়াণে স্তব্ধ হয় রাজপথ, থেমে যায় সেলুলয়েডের রঙিন মায়াজাল। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া পদচিহ্ন চিরঞ্জীব হয়ে থাকে কোটি দর্শকের হৃদয়ে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ‘নায়করাজ’ রাজ্জাককে হারানোর দীর্ঘ ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁর স্মৃতি আজও অম্লান রিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর মনে।
বর্ষীয়ান পরিচালক মনে করেন নায়করাজ রাজ্জাকের সিনেমা দেখেই গড়ে উঠেছে বাংলা সিনেমার দর্শক। বলেন, ‘ওনার জন্য বাংলাদেশের ছবির দর্শক হয়েছে। তার আগে আমরা উত্তম কুমার, সুচিত্রা সেন, দিলীপ কুমার, রাজ কাপুর, মধুবালাদের ছবি দেখতাম। রাজ্জাক ভাই আসার পর হাজার হাজার মানুষ বাংলা সিনেমার দর্শক হয়েছে। আমিও তাদের একজন। তখন থেকে নিয়মিত বাংলাদেশের ছবি দেখা শুরু করেছি। পরে আলমগীর সাহেব, ফারুক সাহেব বিখ্যাত হয়েছেন। তারা তিনজন আমাদের দেশের ছবিকে সামনে এগিয়ে নিয়েছেন।
এ নির্মাতার চোখে রাজ্জাক ছিলেন মাটির মানুষ। তার কথায়, ‘’আমার দৃষ্টিতে রাজ্জাক ভাই খুব ভালো মানুষ। তাকে রাগ করতে দেখিনি কখনও। নরম মেজাজে হালকাভাবে কথা বলতেন। উনি আমার পরিচালনায় ‘বাপ বেটির যুদ্ধ’ সিনেমায় কাজ করছিলেন। আমাকে নিজের ছেলের মতো আদর করতেন।’’
কিংবদন্তির সঙ্গে স্মৃতি থাকলেও তা শোনালেন না। বললেন, ‘রাজ্জাক ভাইকে নিয়ে আমার একটি স্মৃতি আছে। কিন্তু সেটা বলব না। তাহলে বাহাদুরি দেখানো হবে। একবার ওনার আর আমার ছবি একসঙ্গে মুক্তি পেয়েছিল। তখন একটি ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সেটি বলব না আমি।’
আরআর/




