যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আটক থাকা কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স মামুনকে এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক জিয়াউর রহমানের আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার এ আদেশ দিয়েছেন আদালত।
গেল ২৩ জুলাই রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসায় ফেসবুক থেকে লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টা চালানোর অভিযোগে তার স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে মামলা করেন। এছাড়াও কোটি টাকা যৌতুক চেয়ে মারধরের অভিযোগ এনে মামুনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন মোহনা। ওই মামলায় ২৪ জুলাই অভিযুক্তের জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পরে গত ২৫ জুলাই আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখাতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান। পুলিশের করা আবেদন আমলে নিয়ে মামুনকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৩ জুলাই রাত আনুমানিক ১২টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ই-ব্লকের ১১ নম্বর রোডের বাসায় থাকাকালে প্রিন্স মামুন ফেসবুক থেকে লাইভে আসেন। ওই সময় বেডরুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মোহনার শাড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করবেন বলে প্রচার করতে থাকেন। একইসঙ্গে বাদী মোহনা ও তার পরিবার তার মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবে মর্মে প্রচার করেন।
এ সময় প্রিন্স মামুনের লাইভ দেখে দ্রুত তার বাসায় গিয়ে দেখতে পান, প্রিন্স মামুন ফ্যানের সঙ্গে শাড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার জন্য চেষ্টা করছেন এবং চিৎকার করে বলছেন, তোমরা রুম থেকে বের হয়ে যাও, আমি আত্মহত্যা করব। তারপর মোহনার মা, ধর্মভাই আবদুর মোমিন ও লিখন এবং আসামির বাবা-মার সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশি সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
ইএইচ/




