বাংলা চলচ্চিত্রে প্রবাদ পুরুষ উত্তম কুমারের নরম হাসির মায়াজাল ও অভিনয় দক্ষতায় আজও মুগ্ধ সিনেমাপ্রেমীরা। আজ ২৪ জুলাই কিংবদন্তি অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকী। তার মৃত্যুদিনে সামাজিক মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছেন শোবিজ তারকারা। এ তালিকায় আছেন টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
তিনি লেখেন, ‘মহানায়ক উত্তম কুমার শুধুমাত্র একজন কিংবদন্তি অভিনেতা নন। তিনি বাংলা সিনেমার চিরন্তন প্রেরণা। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং শিল্পের প্রতি নিবেদন আজও আমাদের পথ দেখায়।’
প্রসেনজিৎ যোগ করেন, ‘তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তিনি আমাদের মধ্যে নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টি, সিনেমা এবং তাঁর উত্তরাধিকার প্রতিটি প্রজন্মের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে। মহানায়ককে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।’
১৯৪৭ সালে ‘মায়াডোর’ নামের একটি হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। এরপর পঞ্চাশের দশকে ‘দৃষ্টিদান’ দিয়ে নাম লেখান বাংলা সিনেমায়। ক্যারিয়ারের শুরুতে একের পর এক ফ্লপ সিনেমার কারণে ‘ফ্লপ মাস্টার জেনারেল’ উপাধি পান।

ভাগ্য ফেরাতে এ সময় তিনি নতুন করে শুরু করেন অরুপ কুমার নামে। কিন্তু এই নামও ব্যর্থতা ছাড়া কিছু দেয়নি তাকে। সবশেষে তিনি ‘সহযাত্রী’ সিনেমায় রুপালি পর্দায় হাজির হন উত্তম কুমার নামে। এ নাম দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো তিনি। এরপর আর কখনও পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
তিন দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্তম কুমার অভিনয় করেছেন দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে উত্তম কুমার জুটি বেঁধেছেন ৩৫ জন অভিনেত্রীর সঙ্গে। তার ক্যারিয়ারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন সুচিত্রা সেন।
উত্তম কুমার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কালজয়ী সিনেমাগুলো হলো ‘হারানো সুর’, ‘পথে হল দেরি’, ‘সপ্তপদী’, ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘বিপাশা’, ‘জীবন তৃষ্ণা’ ও ‘সাগরিকা’।
ইএইচ/




