‘কাঁটা লাগা’ খ্যাত এ অভিনেত্রী শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যুর কারণ নিয়ে কম কাটাছেড়া হয়নি। গুঞ্জন উঠেছিল, বয়স বশে রাখার ইনজেকশন নিতেন তিনি। তারই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ডেকে এনেছে মৃত্যু। এ নিয়ে এতদিন চুপ থাকলেও এবার মুখ খুলেছেন শেফালির স্বামী পরাগ ত্যাগী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়স কমানোর ইনজেকশনের বিষয়টি মিথ্যা দাবী করে পরাগ বলেন, ‘আমরা সব কিছুই খাই। শেফালি মারা যাওয়ার আগের দিনও আমরা চাইনিজ খেয়েছিলাম। আমাদের না খেয়ে থাকার কী দরকার? ও তো বেশ ফিট ছিল। না খেয়ে থাকলে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়।’

বয়স ধরে রাখার ইনজেকশন প্রসঙ্গে বলেন, ‘ওঁর আরও ফর্সা চামড়ার কী দরকার ছিল? দয়া করে বলুন, কোন ধরনের ইনজেকশন বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে। যদি তা আজও সত্যি হত, তাহলে রতন টাটা এখনও বেঁচে থাকতেন।’ সেইসঙ্গে গুঞ্জন ছড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান পরাগ।
গেল বছর মারা যান শেফালি। জানা গিয়েছিল, মৃত্যুর দিন (গেল শুক্রবার) খালি পেটে ছিলেন শেফালি। সত্যনারায়ণ পূজার কারণে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ছিলেন উপোস। উপোস শেষে ফ্রিজ থেকে সামান্য কিছু খেয়েছিলেন। কিন্তু ক্লান্ত শরীরে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পাননি।

সেদিন রাত সাড়ে দশটার দিকে জ্ঞান হারান শেফালি। এ সময় তাড়াহুড়া করে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছেন।
শোবিজে শুরুর দিকে মডেলিং করতেন জারিওয়ালা। ৩৫টির মতো মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন তিনি। বলিউডে তার অভিষেক হয় ২০০৪ সালে। ‘মুঝসে শাদি করোগে’ ছবিতে ক্যামিও-র মাধ্যমে এই পথচলা শুরু হয় তার।
_20260514_121839964.jpg)
ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক পুরুষের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে শেফালির। ২০০২ সালে ঘর বেঁধেছিলেন। তবে সে সংসার স্থায়ী হয়নি। মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ এনে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন তিনি।
বিচ্ছেদের পর অনেকটা আড়ালে চলে যান শেফালি। ২০১৪ সালে ঘর বাঁধেন পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে। দুজনে ‘বিগ বস্ ১৩’-এ প্রতিযোগী ছিলেন। সংসার জীবনেও সুখী ছিলেন তারা।
আরআর




