দক্ষিণী সিনে দুনিয়ার শাসন ভার ত্যাগ করে বিজয় থালাপতি হাতে শাসন দণ্ড তুলেছেন তামিলনাড়ুর। গতকাল শপথ নিয়েছেন ভারতের এই প্রদেশটির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। রঙিন দুনিয়া ত্যাগ করে শাসকের মুকুট পরা বিজয়ের দৈনন্দিন জীবন ছিল বেশ কঠিন। পরিবারসহ খাবারের জন্যও কষ্ট করতে হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অভিষেকের দিন কাছের মানুষেরা আনন্দে ভাসছিলেন। অন্যদিকে বিজয়ের বাবা পরিচালক এস এ চন্দ্রশেখর খুলেছিলেন কঠিন অতীতের ডায়েরি।

এক সাক্ষাৎকারে চন্দ্রশেখর জানান, বিজয়ের শৈশবে আর্থিক অভাবেরর কথা। অনটনের কারণে প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের। সহ্য করতে হয়েছে ক্ষুধার জ্বালা।
বিজয়ের বাবা বলেন, “আমাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, বিজয়ের জন্ম ১৯৭৪-এ। তখন আমি সহ-পরিচালক হিসাবে কাজ করি। একসময় খাবারের জন্যও লড়াই করেছি। ও কিন্তু সব মনে রেখেছে।”

তবে কঠিন সময়েও স্বপ্নের চাষ বন্ধ করেননি বিজয়ের বাবা। স্বপ্ন ছিল সন্তান একদিন আকাশ ছোঁবে। বিজয়ও নেমেছিলেন তা বাস্তবায়নে। প্রতিকূলতার মধ্যেও হাল ছাড়েননি। দক্ষিণের গণ্ডি ছাড়িয়ে ভারতের সুপারস্টার হয়েছেন। সে অধ্যায়ের ইতি টেনে নেমেছেন রাজনীতিতে। প্রথমবারই পেয়েছেন নায়কোচিত জয়।
এ নিয়ে জোসেফ বিজয়ের বাবার মন্তব্য, “ও আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। একজন বাবা হিসাবে এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।”
আরআর




