ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি হলো ঢালিউডের বড় এক অধ্যায়ের। একাধারে নায়ক ও নৃত্য পরিচালক ছিলেন তিনি। তার শেখানো নাচের মুদ্রা ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেছেন নায়করাজ রাজ্জাকও। তাই ওস্তাদ বলে ডাকতেন। আলমগীরকে বলতেন দুধভাই। পাশাপাশি অন্যদের সঙ্গেও সুসম্পর্ক ছিল জাভেদের।
জীবদ্দশায় এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ বলেছিলেন, ‘‘আমি নাচের মানুষ হিসেবে সবসময় সম্মান পেয়েছি সিনেমায়। রাজ্জাক ভাই আমার সিনিয়র। কিন্তু দেখা হলে প্রথমে তিনি আমাকে ‘ওস্তাদ’ বলে বুকে জড়িয়ে নিতেন। কুশল বিনিময়ের পর তুই ডাকতেন বা দুষ্টুমি করতেন।’’
বিজ্ঞাপন
নায়ক আলমগীরকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘রাজ্জাক ভাই যতদিন বেঁচে ছিলেন বড় ভাইয়ের মতো, বন্ধুর মতো খোঁজ নিয়েছেন। আলমগীর আমার দুধভাই। আমরা এক গ্লাসে দুধ পান করে ভাই হয়েছি। আমার সকল বিপদে তিনি পাশে থাকেন। সবার আগে ছুটে আসেন। তার স্ত্রী লিজেন্ডারি সিঙ্গার রুনা লায়লাও সজ্জন মানুষ।’
নায়ক ফারুক, ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘মিয়া ভাই নায়ক ফারুক আমার বন্ধুর চেয়েও বেশি। ইলিয়াস কাঞ্চন আমার ভাই, বন্ধু; সব। আমরা একে অপরকে মিতা বলে ডাকি। আমি ইলিয়াস জাভেদ আর সে ইলিয়াস কাঞ্চন।’
দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছিলেন জাভেদ। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর।

