জন্মদিনে ‘টক্সিক’-এর টিজার আসায় আলোচনায় ছিলেন কেজিএফ তারকা যশ। বিতর্কের ঘোড়াও ছুটছিল পাল্লা দিয়ে। কেননা গাড়িতে উদ্দাম যৌন দৃশ্য ভালোভাবে নেননি অনেকে।
বিতর্কের চাবুক সমানতালে তাড়া করছিল অভিনেত্রীর বিয়াত্রিস তফেনবাখকেও। কেননা টিজারে যশের সে উদ্দাম যৌনসঙ্গী হিসেবে দেখা গিয়েছে তাকে। এ কারণেই নেট দুনিয়ায় ছি ছি রব। লাগাম টানতে না পেরে নিজের সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট-ই মুছে দিলেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে জন্ম নেওয়া ব্রাজিলের অভিনেত্রী ও মডেল বিয়াত্রিসের পরিচয় অজানা ছিল ভারতীয়দের কাছে। তার পরিচয় সামনে আনেন ‘টক্সিক’ পরিচালক গীতু মোহনদাস। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নাম-পরিচয় জানিয়ে দেন।
সেটিই কাল হয়ে দাঁড়ায়। কেননা টিজার প্রকাশের পর থেকেই সমালোচনা যেন পাগলা ঘোড়া। তা থামাতে হয়তো আর কোনো উপায়ন্তর খুঁজে পাননি। নিজের অ্যাকাউন্ট-ই দিয়েছেন মুছে।
অন্যদের মতো ‘টক্সিক’-এর যৌন দৃশ্য নিয়ে মাথা ব্যাথা শুরু হয়েছে কর্ণাটকের আপ পার্টির মহিলা শাখারও। আপ-এর কর্নাটক রাজ্য সম্পাদক ঊষা মোহন বলেন, “এহেন অশ্লীল দৃশ্যে শিশুমনে যেমন প্রভাব পড়ছে, তেমনই নারীদের সামাজিক অবস্থান ক্ষুন্ন হচ্ছে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের মনেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে”

এরইমধ্যে মহিলা কমিশনকে জমা দেওয়া চিঠি দিয়েছে তারা। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, “অবিলম্বে রাজ্য সরকার এবং সেন্সর বোর্ডের হস্তক্ষেপে ‘টক্সিক’-এর টিজারটি নিষিদ্ধ করা হোক এবং সমস্ত সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে তুলে নেওয়া হোক। রাজ্যের সাংস্কৃতিক ও নৈতিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখতে অবিলম্বে পদক্ষেপের অনুরোধ জানাচ্ছি।”
টিজারটি শালীনতা ও নৈতিকতা লঙ্ঘন করছে বলে দাবি কন্নড় সমাজকর্মী দীনেশ কাল্লাহাল্লিরও। তিনি বলেছেন, “এ ধরনের বিষয়বস্তু ভারতীয় সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষিত নয় এবং ১৯(২) অনুচ্ছেদের অধীনে অনুমোদিত সীমার আওতাহীন নয়। যা কন্নড় সংস্কৃতির অপমান।”
যশ ছাড়াও ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’–এ দেখা যাবে রুক্মিণী বসন্ত, নায়নতারা, কিয়ারা আদভানি, তারা সুতারিয়া, হুমা কুরেশি, অক্ষয় ওবেরয়, সুদেব নায়ারকে। ১৯ মার্চ মুক্তি কথা ছবিটির।

