অভিনয় থেকে রাজনীতির অঙ্গনে নাম লেখানোর গল্পটা পুরনো। অনেকেই অভিনেতা থেকে হয়েছেন নেতা। সংসদে গেছেন জনপ্রতিনিধি হয়ে। তবে বিপুল ভোটে জিতেও রাজনীতি ত্যাগ করেছেন এমন মানুষ হাতে গোনা কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম বলিউড মহাতারকা অমিতাভ বচ্চন।
সম্প্রতি টেলিভিশন রিয়্যালিটি শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র ১৭তম সিজনের মঞ্চে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ জানিয়েছেন অমিতাভ। তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে রাজনীতি ছেড়েছিলাম। আমার জন্মস্থান হলো ইলাহাবাদ (বর্তমান প্রয়াগরাজ)। সেখানকার মানুষ আমাকে অনেক ভালোবাসত। আমি ভোট পেয়েছিলাম এবং নির্বাচনে জিতেছিলাম। কিন্তু সেখানে কয়েকদিন কাটানোর পর আমি বুঝতে পেরেছিলাম এটা খুবই কঠিন কাজ।’

কথার সূত্র ধরে তিনি যোগ করেন, ‘আপনাকে এদিকে দেখতে হবে, ওদিকে দেখতে হবে, ওদিকে শুনতে হবে, এর উত্তর কীভাবে দেওয়া যাবে, এটা কীভাবে করা যাবে – এটা সত্যি খুবই কঠিন কাজ।’
সবশেষে অমিতাভ বচ্চন বলেন, ‘ওই দুই বছর আমার জন্য খুব দামি। গ্রামের মানুষের জীবনটাকে কাছ থেকে দেখেছিলাম। নির্বাচনে নতুন কেউ লড়তে এলেই, ওঁরা অনেক সম্মান দেন।’
বিজ্ঞাপন
ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর ১৯৮৪ সালে কংগ্রেস দলে যোগ দেন অমিতাভ। সেই বছর তিনি ইলাহাবাদ থেকে লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করে বিপুল ভোটে জিতেছিলেন। ১৯৮৭ সালে আর্থিক দুর্নীতিতে নাম জড়ালে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর আর কখনও রাজনীতির মাঠে দেখা যায়নি। তবে অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চন রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি ২০০৪ সালে ভারতের সমাজবাদি পার্টিতে যোগাদান করেন। সমাজবাদি পার্টির হয়ে পাঁচ এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
ইএইচ/




