বলিউড থেরকে নিজেই বিদায় নিয়েছিলেন লাস্যময়ী মমতা কুলকার্নি। তারপর থেকে নেই আলোচনায়। সপ্তাহ খানেক আগে খবরে আসেন সন্ন্যাস গ্রহণ করে। এবার সেটাও খোয়ালেন। বিতাড়িত করা হয়েছে তাকে ‘মহামণ্ডলেশ্বর’ উপাধি থেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার সকালে মহাকুম্ভে কিন্নর আখড়ার প্রতিষ্ঠাতা ঋষি অজয় দাস মমতাকে বিশেষ ‘মহামণ্ডলেশ্বর’ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আখড়ার প্রতিষ্ঠাতা বলেন, “কিন্নর আখড়ার প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে আমি আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর লক্ষ্মী নারায়ণ ত্রিপাঠীকে কিন্নর আখড়ার আচার্য মহামণ্ডলেশ্বরের পদ থেকে অব্যাহতি দিচ্ছি। ধর্মীয় কার্যকলাপ প্রচার এবং তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের উন্নতির লক্ষ্যে তাকে নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এই দায়িত্ব থেকে সরে এসেছেন।”
এরপর মমতাকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি ‘বিগ বস’-এর মতো কোনো রিয়েলিটি শো না যে, মহাকুম্ভের সময় এটা করো ওটা করো। বাকি তিন বছর তুমি কিছু না করে চুপচাপ বসে থাকো।”
তার দাবি, আখড়ার নিয়ম মেনে সন্ন্যাস গ্রহণ না করেই মমতা ‘মহামণ্ডলেশ্বর’ পদ পেয়েছিলেন। যা নীতিবিরুদ্ধ। তাই অভিনেত্রী এবং লক্ষ্মী নারায়ণ ত্রিপাঠীকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হলেন।
এদিকে মমতার বিরুদ্ধে আছে মাদক চোরাকারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ। বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মমতার বিরুদ্ধে মাদক চোরাকারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এমন একজনকে হঠাৎ নিয়ে এসে ‘সন্ন্যাস’ ধর্মে দীক্ষিত না করেই এত বড় উপাধি দিয়ে দেওয়া হল! এই অন্যায় মেনে নিতে পারছি না।”
চুপ নেই মমতাও। পাল্টা অভিযোগ এনেছেন ঋষির বিরুদ্ধে। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে কলঙ্কিত করা হচ্ছে।
১৯৯১ সালে বলিউডে পা রাখেন মমতা। তবে তা ছিল মায়ের ইচ্ছাপূরণে। ফলে বি-টাউন থেকে বিদায় নেওয়ার পর অনুশোচনায় ভোগেন না বলেও জানিয়েছিলেন এ সাক্ষাৎকারে।




