জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশের শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে জাইকার বিশেষ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দূরত্ব কমাতে নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে তা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একাধিক ভাষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এক্ষেত্রে জাপানি ভাষা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে জাইকার সহযোগিতা কামনা করে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ ও মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ রয়েছে। পাশাপাশি দেশের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রেও জাইকার সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।
গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা খাতেও জাইকার সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভাষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তৃতীয় ভাষা, বিশেষ করে জাপানি ভাষা এবং কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষক প্রশিক্ষণে জাপান সহযোগিতা করতে পারে।
সাক্ষাৎকালে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ জাইকার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাইকার প্রধান কার্যালয়ের হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট বিভাগের পরিচালক মচিজুকি হিরোসি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
এমএইচ/এফএ




