চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগ এবং উত্তরপত্র বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ নাকচ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, ‘এ-সংক্রান্ত প্রকাশিত তথ্য অসত্য, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।’
শনিবার (৮ আগস্ট) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক প্রতিবাদপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, ‘প্রকাশিত সংবাদের তথ্য ও উপকরণ যাচাই-বাছাই করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ঢাকা শিক্ষা বোর্ড দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে। চলতি এইচএসসি পরীক্ষাতেও এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটেনি।’
বোর্ডের দাবি, এবারও অধিকতর সতর্কতা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের পাঠানো শিক্ষকদের ই-টিআইএফ (ইলেকট্রনিক টিচার্স ইনফরমেশন ফর্ম) থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য শিক্ষক বাছাই করে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।
একইভাবে পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র বিতরণের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম ও স্বচ্ছতা অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়, প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট বোর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন ছিল। প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশাও জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
এম/এএম




