সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ঢাকা

সেশনজট ২৮ সালের মধ্যে কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম

শেয়ার করুন:

Ehsanul Milon
শিক্ষামন্ত্রী আ.ন. ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সেশনজট চলছে তা আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে কমিয়ে আনার জন্য সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ২০২৮ সালের পর এসএসসি, এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলে তাদের আর সেশনজটে পড়তে হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ.ন. ম এহসানুল হক মিলন।

​সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।


বিজ্ঞাপন


মন্ত্রী বলেন, ‘এই যে টাকা (শিক্ষাখাতের জন্য বাজেট) ব্যয় হবে শিক্ষাখাতে সেই খাতে আমরা চাই একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন মাধ্যমিক স্তরের এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সুন্দরভাবে। প্রশ্নপত্র আউট হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের ভিতরে আগামী ২০শে জুলাইয়ের ভেতরে আমাদের রেজাল্টও আউট হয়ে যাবে। এর পরবর্তীতে আমরা সেশনজট এবং এই যে গ্যাপ রয়েছে আমাদের এসএসসি এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনে এই গ্যাপগুলোকে আমরা সমন্বয়ে সাধন করছি। আশা করছি ২০২৮ এর মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেওয়ার পর তাদের সাথে সাথেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন এটাকে আমরা সিংক্রোনাইজ করছি। আমরা কোনো অবস্থাতেই অবহেলাতে সময় কাটাবো না আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের জন্য এই পর্যন্ত ৫৩ টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হয়েছে এবং আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যে বাকি ২৩টিকে সমাপ্ত করা আমরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সারা বাংলাদেশের ৩২৯ টি স্থাপন করে যাচ্ছি এবং আশা করছি আমাদের আগামী দুই বছরের মধ্যে সেই কাজগুলো শেষ হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার হতে শুরু করে কারিগরি শিক্ষা দীক্ষিত করে মানব সম্পদ তৈরি করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নিরলস আমরা কাজ করে চলছি। আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে এজেন্ডা রয়েছে সেই এজেন্ডা এই শিক্ষাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব তিনি দিয়েছেন। আগামী বাংলাদেশ গড়ার জন্য যেটি প্রয়োজন সেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি হাতে নিয়েছেন।’ 


বিজ্ঞাপন


এহসানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা চাই না আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শুধু জিপিএ ও এ প্লাস গোল্ডেন প্লাস এই সোনার পিছনে ছুটে বেড়াক। আমরা চাই তারা মেধাবী ছাত্র হোক, তারা ক্রিয়েটিভ হোক, তারা সৃজনশীল হোক এবং তারা খেলতে খেলতে শিখবে সেটা আমরা চাই। আমরা ক্লাস ফোর থেকে স্পোর্টস এন্ড কালচার ডিবেট সেটা আমরা ইনক্লুড করছি। ক্লাস সিক্সে আর ডিবেট মানব সম্পদ উন্নয়নের যে ধারণাটি সেখানে আমরা সেটি দিব এবং ক্রমান্বয়ে আমরা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিব। কারণ বাংলাদেশে এই অবাধ মানব সম্পদকে এই অবারিত মানব সম্পদকে আমরা কর্ম সক্ষম জাতি হিসেবে পরিণত করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরপরে সেকেন্ডারিতে এবং টার্শিয়াতে টার্শিয়ারি এডুকেশনেও আমরা সেখানে কারী শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা চাই বিশ্বয়াণের যুগে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে থাকুক এবং আমাদের এই অবারিত মানব সম্পদ যেটা আমরা মনে করি বিশ্বে বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে ঘনবহুল একটি জনসংখ্যার রাষ্ট্র।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি উন্নত বিশ্বে কাজে মোর পিপল আর ডাইং লোক বেশি মারা যাচ্ছে এবং কম লোক জন্মগ্রহণ করছে জনসংখ্যা ক্রমাণ্যয়ে কমে যাচ্ছে কিন্তু তার বিপরীতে বাংলাদেশ জনসংখ্যা শুধু বেড়েই চলছে এই জনসংখ্যা একটি কখনোই অভিশাপ হতে পারে না। এই জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে।’

এমআইকে/এমআই

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর