এবার এসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্নপত্র খুব সহজ ছিল। বিশেষ করে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন। যেসব উদ্দীপক এসেছে সেগুলোও কমন পড়েছে। ফলে খুব সহজে পড়াশোনা করে আসা পরীক্ষার্থীরা সকল প্রশ্নের উত্তর খাতায় লিখতে পেরেছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে মোহাম্মদপুর সরকারী বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে বের হয়ে পরীক্ষার্থীরা নিজের মুখেই এমন সব কথা জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজের পরীক্ষার্থী রাশিদ বলেন, এবার প্রত্যেকটি প্রশ্নই সহজ ছিল।
একই প্রতিষ্ঠানের মাহিম বলছিলেন, বিভিন্ন টেস্ট পেপার থেকে উদ্দীপকগুলো কমন পড়েছে। আর নৈর্ব্যক্তিক ছিল সহজ। ফলে আমি আশা করছি ৮০ মার্কের ওপরে পাব। গতবারের তুলনায় এবার প্রশ্ন সহজ ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে যতো ভয় দেখানো হয়েছে সে অনুপাতে প্রশ্নপত্র কঠিন হয়নি বলে মনে করেন তিনি।

পরীক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বলেন, লিখিত প্রশ্নপত্রে যে আটটি উদ্দীপক ছিল যেগুলো বিভিন্ন গাইড বই থেকে কমন পড়েছে।
বিজ্ঞাপন
তার সঙ্গে থাকা বন্ধু সাফায়েত বলেন, নৈর্ব্যক্তিক খুব সহজ ছিল।
কথা হয় লালমাটিয়া গার্লস স্কুল ও কলেজের পরীক্ষার্থী ফারহানার সঙ্গে। তিনি বলেন, পরীক্ষা খুবই ভালো হয়েছে। যতগুলো প্রশ্ন এসেছে সব গুলোর উত্তর করেছি।
পরে কেন্দ্র থেকে বের হওয়া তারই কয়েকজন বান্ধবী এসে তাকে বলছিল- এবার তো নৈর্ব্যক্তিক এত সহজ হবে কল্পনাও করিনি। তারা তাকে বলছিল- আমরা তো ৩০ এর মধ্যে কম পক্ষে ২৮-২৯ পাব।
লালমাটিয়া গার্লস স্কুল ও কলেজের আরেক পরীক্ষার্থী স্নেহা বলেন, লিখিতের চেয়ে নৈর্ব্যক্তিক খুব ইজি ছিল। খুব ইজি। আশা করি ২৮ এবং লিখিততে ৬০-৬৫ নম্বর পাব।
পরীক্ষার্থী শায়ন কুমার রায় বলেন, এবার পরীক্ষা এত সহজ হবে ভাবিনি। যেসব পড়ে আসছিলাম সব কমন পড়েছে।
তবে প্রশ্নপত্রে মাত্র একটি উদ্দীপক গতবারের ছিল। একটি ছাড়া সকল উদ্দীপক ছিল নতুন। তবুও লেখা গেছে। কোনোটাই কঠিন মনে হয়নি।
শুধু তারাই নয়, এ কেন্দ্রে যতো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের বেশির ভাগই জানিয়েছেন, এবার লিখিত ও নৈর্ব্যক্তিক কমন পড়েছে। ফলে যারা পড়ে এসেছেন তারা সবচেয়ে বেশি ভালো করেছেন। বেশির ভাগ পরীক্ষার্থী মনে করছেন, তাদের বাংলায় লেটার মার্ক থাকবে।
পরীক্ষার্থীদের বেশির ভাগ কেন্দ্র থেকে বের হয়ে খুশিতে একে অপরের খোঁজ খবর নিচ্ছিলেন। কার কোনটি ভুল হয়েছে তাও তারা মিলিয়ে দেখছিল। তবে পরীক্ষা কঠিন হবে বলে যে ভীতি ছড়ানো হয়েছিল আজকের প্রশ্নপত্রে তেমন কিছুই ছিল না বলেও তারা মনে করছে।
এমআইকে/এআরএম




