চাঁদাবাজি নিয়ে কিছু বললেই একটা গোষ্ঠী কেন ক্ষেপে যায়, সেই প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের। এটা (চাঁদাবাজি) কি তাদের একক সম্পত্তি কি না, এমন প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে এ প্রশ্ন তোলেন জুবায়ের।
বিজ্ঞাপন
তিনি লিখেছেন, ‘টিএসসিতে শহিদ ওসমান হাদি স্মরণে বইমেলা চলছে। সাদিক ভাই তার বক্তব্যে বলতেছে যে, ‘হাদি ভাই চাঁদাবাজি, দখলদারির বিরুদ্ধে বলে গিয়েছেন। আমরাও এই লড়াই চালিয়ে যাবো।’
জুবায়ের লিখেছেন, ‘পাশ থেকে একজন বলতেছে, এই ডাকসুর আয়োজনে আবার রাজনৈতিক বক্তব্য কেন! বুঝলাম না চাঁদাবাজি নিয়ে কিছু বললেই একটা গোষ্ঠী এমনে চ্যাতে উঠে কেন!!! এইটা কি তাদের একক সম্পত্তি?’
এর আগে দুপুরে দেওয়া অন্য একটি পোস্টে ডাকসুর এই নেতা লেখেন, ‘শাকসু নির্বাচন যথাসময়েই হতে হবে। কারও অযৌক্তিক দাবির মুখে শিক্ষার্থীদেরকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার সুযোগ নাই।’
বিজ্ঞাপন
ছাত্রদলকে পরামর্শ দিয়ে তিনি লেখেন, ‘হারার ভয়ে নির্বাচন বাতিলের চেষ্টা না করে শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ করে শিক্ষার্থীদের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করেন। নিজেদেরকে যোগ্য হিসেবে তুলে ধরেন। খামোখা শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের চেষ্টা করবেন না। এতে আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা আরও কমে আসবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ডাকসুর নতুন নেতৃত্ব আসার পর থেকেই আলোচনায় এবি জুবায়ের। বিশেষ করে, সর্বমিত্র চাকমার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে ভবঘুরে ও মাদকসেবীদের উচ্ছেদ করে ব্যাপক চর্চায় আসেন তিনি।
এএইচ
