শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ঢাকা

১০ দোকান ঘুরে দুই দোকানে মিলছে চিনি

এইচ রহমান
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:১০ পিএম

শেয়ার করুন:

১০ দোকান ঘুরে দুই দোকানে মিলছে চিনি
ফাইল ছবি

নানামুখী সংকট মোকাবেলায় সরকার বিলাসী পণ্য থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতেও নজরদারি রাখছে। সেই সঙ্গে সব ধরনের পণ্যর দাম নিয়ন্ত্রণেও তদারকি করা হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে দেশে নতুন করে চিনির দাম বেঁধে দিয়েছে সরকার। তবে এলাকাভেদে বাজারের অনেক দোকানেই চিনি রাখছেন না ব্যবসায়ীরা। খুচরা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের অভিযোগ- বড় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটে সবাই জিম্মি।

সরেজমিনে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রমজান মাসকে সামনে রেখে অধিক মুনাফার আশায় দোকানে ইচ্ছে করেই চিনি রাখছেন না ব্যবসায়ীরা। এতে একপ্রকার কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে খুচরা ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ক্রেতাদের একাধিক দোকান ঘুরে কিনতে হচ্ছে চিনি।


বিজ্ঞাপন


>> আরও পড়ুন: সরকারি দামের তোয়াক্কা নেই চিনির বাজারে

কারওয়ান বাজারে চিনি কিনতে আসা সুলতান মিয়া ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘আমার চায়ের দোকানে প্রতিদিন প্রায় এক কেজি চিনি লাগে। সে হিসেবে প্রতি সপ্তাহে সাত কেজি চিনি লাগে। বাজারের সব দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। দশ দোকান ঘুরে ২ দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে। তাও দাম বেশি। প্রতিকেজি খোলা চিনি সরকার ১০৭ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বাজার থেকে প্রতিকেজি চিনি কিনতে হচ্ছে ১২০ টাকা দরে।’

Sugarতবে ভিন্ন দাবি করেছেন পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা। ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, ‘বাজারে চিনির সরবরাহই নেই, মজুত করব কীভাবে? আমরা যতটুকু সংগ্রহ করতে পারছি সবটাই বিক্রি করে দিচ্ছি। ডলার সংকটে নতুন করে চাহিদামতো কোনো পণ্য আমদানি করা যাচ্ছে না। বাইরে থেকে মানুষ মনে করে ব্যবসায়ীরা চিনি মজুত করছে। আসলে বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা। তবে নতুন করে চিনি সরবরাহ বাড়ছে।’

>> আরও পড়ুন: শুক্রবারে দাম বাড়ে মাছ-মাংস-সবজির


বিজ্ঞাপন


এদিকে, বাড়তি দাম নেওয়ার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের চিনি ব্যবসায়ী রেজাউল করিম বলেন, চিনির দাম বাড়ানো হলেও খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতাদের তেমন লাভ নেই। প্রতি কেজি চিনিতে দুই-তিন টাকা লাভ থাকছে। আগে লাভ থাকত পাঁচ টাকা। ফলে বাধ্য হয়েই অনেকে নির্ধারিত মূল্যের বেশি দাম রাখছে।

অন্যদিকে চাঁদপুর স্টোরের বিক্রেতা সুমনের দাবি- ‘কোম্পানিগুলো চিনি দেয় না। সামান্য কিছুটা পেয়েছি। কিন্তু সেটাও বাড়তি দামে কেনা হয়েছে। প্যাকেটের গায়ের দামে আমাদের দিয়েছে। সে জন্য বেশি দামে বিক্রি করছি।’

এইচআর/এমএইচএম/আইএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর