গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করাই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্যের অন্যতম শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি ড. আলী আফজাল।
তিনি বলেছেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্যের চেতনা ধারণ করা জরুরি। বিভেদ ভুলে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রিহ্যাব সচিবালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল শিক্ষা হলো জাতীয় ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে যেকোনো সংকট মোকাবিলা করা। দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এ দিনটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতার মনোভাব আরও জোরদার করতে হবে।
রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।
আরও পড়ুন:
৭ নভেম্বরের চেতনায় বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান গণঅধিকার পরিষদের
বিএনপির শোভাযাত্রা ঘিরে লোকারণ্য নয়াপল্টন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা: রিজভী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
দেশকে আর তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
৭ নভেম্বরের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। একইভাবে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে।
তিনি বলেন, দুটি ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা, জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব আমাদের সামনে নতুন করে তুলে ধরে। দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন রিহ্যাবের পরিচালক গোলাম কিবরিয়া মজুমদার, প্রকৌশলী মো. মোস্তফা কামাল, মো. খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, শেখ কামাল, এম ফখরুল ইসলাম, এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজীসহ সংগঠনের অন্যান্য পরিচালক ও নেতারা। তারা দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জাতীয় স্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এমআর/এএম




