বাজারের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আড়তে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকায়। যেখানে রাজধানীর অন্যান্য বাজারে একই মাংসের দাম ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে গরুর মাংস কিনতে শুক্রবার আড়তটিতে ভিড় করেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতারা। কারও লক্ষ্য পরিবারের জন্য মাংস কেনা, আবার কেউ কম দামে কিছুটা বেশি মাংস কিনে খরচ সাশ্রয় করতে চান।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সরেজমিনে যাত্রাবাড়ী আড়তে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
সকাল থেকেই কম দামে গরুর মাংস কিনতে ক্রেতাদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। বাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপে যেখানে অনেক পরিবার গরুর মাংস কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে, সেখানে ৬৫০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রির খবর ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।
আড়তে আসা ক্রেতারা জানান, অন্যান্য বাজারের তুলনায় এখানে প্রতি কেজি গরুর মাংসে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হচ্ছে। ফলে পরিবারের জন্য মাংস কেনার ক্ষেত্রে এই বাজার তাদের কাছে স্বস্তির জায়গা হয়ে উঠেছে।
তবে কম দামের মাংসের মান নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র অভিজ্ঞতার কথাও শোনা গেছে। কয়েকজন ক্রেতা জানান, অন্যান্য বাজারের তুলনায় এই মাংসে তেল-চর্বি ও হাড়ের পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে। তবে দাম বিবেচনায় তারা সন্তুষ্ট। তাদের মতে, কিছুটা চর্বি বা হাড় বেশি থাকলেও কম দামে মাংস কেনার সুযোগ থাকায় অনেকের জন্য এটি সুবিধাজনক।
ক্রেতাদের কেউ কেউ বলেন, বাজারে গরুর মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ৬৫০ টাকা কেজি দরে মাংস পাওয়া গেলে পরিবারের চাহিদা কিছুটা হলেও পূরণ করা সম্ভব। বিশেষ করে সীমিত আয়ের মানুষের কাছে দামের এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারভেদে মাংসের দাম ও মানের পার্থক্য থাকায় কেনার আগে মাংসের ধরন, হাড় ও চর্বির পরিমাণ দেখে নেওয়া ভালো। তবে যাত্রাবাড়ী আড়তে তুলনামূলক কম দামে গরুর মাংস পাওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
শুক্রবারের বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বলছে, বাড়তি খরচের চাপে থাকা মানুষের কাছে এখন গরুর মাংস কেনার ক্ষেত্রে দামই বড় বিবেচ্য হয়ে উঠেছে।
এমআর/এএস




