বালাইনাশক আমদানি, উৎপাদন, বিতরণ ও বাজারজাতকরণে একই ধরনের একাধিক বাণিজ্য সংগঠন থাকায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বামা)-এর লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার।
সংগঠনটিকে বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন (বিসিপিএ)-এর সঙ্গে একীভূত করার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের ৯ সেপ্টেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত নিবন্ধিত বাণিজ্য সংগঠন। ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর সংগঠনটির অনুকূলে ১৩/২০২২ নম্বর লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বামা বালাইনাশকের কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদন ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন। সংগঠনটির অধিকাংশ সদস্য টি.ও. লাইসেন্স পাওয়ার আগে বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ছিল এবং এখনও অনেকেই ওই সংগঠনের সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সংখ্যা ১ হাজার ২৩০। অন্যদিকে বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ২০টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংগঠন দুটির উদ্দেশ্য, প্রকৃতি ও কার্যপরিধি একই ধরনের। একই খাতে একাধিক সংগঠন থাকায় বালাইনাশক আমদানি, উৎপাদন, বিতরণ ও বাজারজাতকরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে বালাইনাশক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বাণিজ্য সংগঠন থাকাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেছে সরকার।
এ অবস্থায় বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ৮ ধারা এবং বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর ১০ বিধিতে দেওয়া ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনকে বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে একীভূত করার উদ্দেশ্যে বামার অনুকূলে দেওয়া ১৩/২০২২ নম্বর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
এমআর/এআরএম




