- বিদেশি ভাড়া বাঁচাতে দুই অয়েল ট্যাংকার কিনছে সরকার
- অর্থ সংকটে তিন জাহাজের পরিকল্পনা থেকে দুটি কিনছে
- দুই ট্যাংকার কিনতে ব্যয় হবে দেড় হাজার কোটি টাকা
- দুই ট্যাংকারের ধারণক্ষমতা হবে ৪০ থেকে ৫৫ হাজার ডেডওয়েট টন
- বিদেশ সফরে প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব
- বর্তমানে বিএসসির বহরে রয়েছে সাতটি সমুদ্রগামী জাহাজ
জ্বালানি পরিবহনে বিদেশি জাহাজের ওপর নির্ভরতা কমাতে দুটি আধুনিক প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মাধ্যমে কেনার প্রস্তাব করা এই দুই জাহাজের ধারণক্ষমতা হবে প্রতিটি ৪০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার ডেডওয়েট টন। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অ্যাকুইজিশন অব টু প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার্স শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামীকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। রাজধানীর শেরেবাংলানগরের পরিকল্পনা কমিশনে এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের জ্বালানি আমদানির বড় অংশই সমুদ্রপথে পরিবহন করতে হয়। কিন্তু নিজস্ব তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় আমদানিকৃত পরিশোধিত জ্বালানি পরিবহনে বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজের ওপর নির্ভর করতে হয়। এসব জাহাজ ব্যবহারের বিপরীতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। নতুন দুটি ট্যাংকার যুক্ত হলে এই নির্ভরতা কিছুটা কমবে এবং জ্বালানি পরিবহনে দেশের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়বে।
বছরে ১২৫ কোটি টাকা মুনাফার আশা
প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন দুটি জাহাজ পরিচালনার মাধ্যমে বছরে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি জাহাজের পরিবর্তে নিজস্ব জাহাজ ব্যবহার করায় বছরে প্রায় এক কোটি ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে। এ ছাড়া বন্দরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের চার্জ ও সেবা থেকে বছরে প্রায় ৪০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনাও দেখানো হয়েছে।
ফলে প্রকল্পটি শুধু জ্বালানি পরিবহনে সক্ষমতা বাড়াবে না, বিএসসির বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছে সরকার। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই প্রকল্পের ব্যয় ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং দুটি ট্যাংকার কেনার লক্ষ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের হিসাবে, দুটি জাহাজ যুক্ত হলে দেশের পরিশোধিত জ্বালানি পরিবহনের সক্ষমতা বছরে প্রায় এক লাখ টন বাড়তে পারে। এটি বর্তমান সক্ষমতার তুলনায় ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি। ফলে পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন, এভিয়েশন ফুয়েলসহ বিভিন্ন পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে পরিবহনব্যবস্থার ওপর চাপ কিছুটা কমবে।
তিন জাহাজের পরিকল্পনা থেকে দুইটিতে
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, এর আগে তিনটি প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তখন প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার ৬১ কোটি টাকা। কিন্তু অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার কারণে সেই পরিকল্পনা সংশোধন করা হয়।
সংশোধিত প্রস্তাবে সরকারি অর্থায়নে দুটি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর তৃতীয় জাহাজটি বিএসসির নিজস্ব অর্থায়নে কেনার পরিকল্পনা থেকে আপাতত সরে এসেছে সরকার। ফলে প্রকল্পের ব্যয়ও আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ধরা হয়েছে।
তবে বিএসসির কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্প অনুমোদনের পর দ্রুত ক্রয়প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই জাহাজ দুটি সংগ্রহ করা যেতে পারে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া বলেন, বর্তমানে সরকারের বহরে তেলবাহী সাতটি ট্যাংকার জাহাজ রয়েছে। নতুন দুটি যুক্ত হলে সমুদ্রপথে জ্বালানি পরিবহনের সক্ষমতা আরও বাড়বে। জাহাজ দুটি কেনার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট দেশকে এখনই নির্ধারণ করা হয়নি। প্রকল্প অনুমোদনের পর সরকারি ক্রয়বিধি অনুসরণ করে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হবে। দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে কোন দেশ বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জাহাজ কেনা হবে, তা নির্ধারিত হবে।
জাহাজ কিনতেই ১,৩০০ কোটি টাকা
প্রকল্পের মোট ব্যয়ের বড় অংশই ব্যয় হবে দুটি অয়েল ট্যাংকার কেনার পেছনে। এ খাতে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্পের মোট ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই জাহাজ ক্রয়ে ব্যয় হবে। এ ছাড়া ব্যবস্থাপনা খাতে ৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, সাধারণ সরঞ্জাম কেনায় ৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, পরামর্শক ব্যয়ে ৪৩ লাখ টাকা, আইনি ব্যয়ে প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং ব্যাংক চার্জ বাবদ ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
জাহাজ সংগ্রহ ও তদারকির জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ব্যয় এবং বিদেশ সফরের ব্যয়ও প্রকল্পের আওতায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশ সফরের জন্য প্রায় ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জাহাজ কেনার ক্ষেত্রে জাহাজ পরিদর্শন, কারিগরি মূল্যায়ন, ক্রয় তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য বিদেশ সফরের প্রয়োজন হতে পারে। তবে সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা যাচাই করেই চূড়ান্ত বরাদ্দ নির্ধারণ করা হবে।
পরিশোধিত জ্বালানি পরিবহনে ব্যবহার
বিএসসি সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত জাহাজ দুটি মূলত পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হবে। পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন, এভিয়েশন ফুয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের তরল জ্বালানি পরিবহনে এসব ট্যাংকার ব্যবহার করা যাবে। তবে অপরিশোধিত তেল বা ভারী রাসায়নিক পরিবহনের জন্য জাহাজ দুটি উপযোগী হবে না। ফলে এগুলোকে মূলত পরিশোধিত জ্বালানি পরিবহনের নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহার করা হবে।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, পরিবহন ও বিমান খাতে জ্বালানির চাহিদা বাড়ছে। একই সঙ্গে দেশের নিজস্ব উৎপাদন সীমিত হওয়ায় পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের বড় অংশ আমদানি করতে হয়। এই আমদানির ক্ষেত্রে সমুদ্রপথ গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ফলে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা পরিবহনের জন্য জাহাজের চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু নিজস্ব বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় বিদেশি জাহাজ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
বাণিজ্যের ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথে
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সমুদ্রপথে পরিচালিত হলেও দেশের নিজস্ব বাণিজ্যিক নৌবহর এখনো প্রয়োজনের তুলনায় ছোট। এ কারণে আমদানি-রপ্তানির বড় অংশ পরিবহনে বিদেশি শিপিং কোম্পানির ওপর নির্ভর করতে হয়।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিএসসির বাণিজ্যিক বহর বাড়ানোই প্রকল্পটির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। নতুন দুটি ট্যাংকার যুক্ত হলে তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা বাড়বে। একই সঙ্গে এসব জাহাজে বাংলাদেশি নাবিকদের কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের সুযোগও তৈরি হবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে এ ধরনের আরও ১০ থেকে ১৫টি জাহাজ বিএসসির বহরে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। এতে ধীরে ধীরে দেশের নিজস্ব সমুদ্র পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে।
দীর্ঘদিন নতুন জাহাজ কেনেনি বিএসসি
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী জাহাজের বহর দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনের তুলনায় ছোট। ১৯৯১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে বিএসসির বহরে নতুন জাহাজ যুক্ত হয়নি। পরে ২০১৬ সালে চীনের অর্থায়নে ছয়টি জাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মধ্যে তিনটি জাহাজ ২০১৮ সালে এবং আরও তিনটি ২০১৯ সালে বহরে যুক্ত হয়। এর ফলে দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাড়লেও নিজস্ব জাহাজের সক্ষমতা সেই অনুপাতে বাড়েনি।
পরে কয়েকটি নতুন জাহাজ সংগ্রহের মাধ্যমে বহর কিছুটা সম্প্রসারিত হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো সীমিত। বর্তমানে বিএসসির বহরে সাতটি সমুদ্রগামী জাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি অয়েল ট্যাংকার এবং চারটি বাল্ক ক্যারিয়ার। এর আগে বিভিন্ন সময়ে বলা হয়েছে, দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থে অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি সমুদ্রগামী জাহাজ প্রয়োজন। কিন্তু সে তুলনায় বর্তমান বহর অনেক ছোট। ফলে আমদানি করা পণ্য পরিবহনে বিদেশি জাহাজের ওপর নির্ভরতা কমানো যাচ্ছে না।
জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গেও সম্পর্ক
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দুটি ট্যাংকার কেনাকে শুধু বাণিজ্যিক প্রকল্প হিসেবে দেখলে হবে না। এর সঙ্গে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত। জাহাজ দুটি সম্মিলিতভাবে প্রায় এক লাখ টন জ্বালানি পরিবহনে সক্ষম হবে। নিয়মিতভাবে এসব জাহাজ ব্যবহার করা গেলে আমদানিকৃত জ্বালানি দ্রুত দেশে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজ সংকট বা পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেলে বিদেশি জাহাজের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি কিছুটা কমবে।
এ ছাড়া দেশে জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় সমুদ্রপথে দ্রুত জ্বালানি পরিবহনের সক্ষমতা কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনের সময় নিজস্ব জাহাজ পাওয়া গেলে আমদানি করা জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় বাড়তি নমনীয়তা তৈরি হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, জ্বালানির বাজারে মূল্যবৃদ্ধি বা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে পরিবহন সংকট তৈরি হলে নিজস্ব জাহাজের সক্ষমতা দেশের জন্য বাড়তি সুরক্ষা হিসেবে কাজ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন
দেড় হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি ব্যয়ে জাহাজ কেনার উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন গবেষকেরা।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান গবেষক এম জাকির হোসেন খান বলেন, জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি ও তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় একটি সুপরিকল্পিত রোডম্যাপ প্রয়োজন। দেড় হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প কতদিনের জন্য কার্যকর সুফল দেবে এবং চলমান সংকটে এর বাস্তব অবদান কতটা হবে, তা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা দরকার।
তিনি বলেন, পুরো ক্রয়প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। জাহাজের দাম নির্ধারণ, কারিগরি মান, ক্রয়পদ্ধতি, পরিচালন ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পের অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করতে হবে।
দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ
বিএসসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করা গেলে জ্বালানি পরিবহনে নিজস্ব সক্ষমতা তৈরির পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সুযোগও দ্রুত কাজে লাগানো যাবে। জাহাজ দুটি নিয়মিত পরিচালনা করা গেলে বিদেশি জাহাজ ভাড়া বাবদ ব্যয় কমবে এবং বিএসসির আয় বাড়বে।
প্রকল্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, জাহাজ দুটি কেনার পাশাপাশি পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনার বিষয়ও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ শুধু জাহাজ কিনলেই প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না। জাহাজগুলোকে নিয়মিত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে।
এএইচ/এআর




