সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম

শেয়ার করুন:

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিআইটি) একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে মো. ফজলুল হক বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। তবে এই বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। চীনে বাংলাদেশ থেকে বছরে এক বিলিয়ন ডলারেরও কম মূল্যের পণ্য রফতানি হয়।

দুই দেশের উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করে যৌথ বাণিজ্যের সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করার আহ্বান জানান তিনি। ফজলুল হক বলেন, চীনা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের এই সফর শুধু বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণেই ভূমিকা রাখবে না, বরং চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি সম্ভাবনা বাড়াতেও সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে চীনের উদ্যোক্তাদের এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা চীনের উদ্যোক্তাদের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক পণ্য, ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনের হংহে অঞ্চলের বাণিজ্য ব্যুরোর পরিচালক হে তাও। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী ও ওবায়দুর রহমান, মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই সেফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শাহিদুল্লাহ, এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ পরিষদের সদস্য এবং বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। এ ছাড়া সিসিপিআইটির প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এমআর/এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর