শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ঢাকা

কোরবানির আগে পাইকারি মসলার বাজার মন্দা!

আব্দুল হাকিম
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২৬, ১২:৫০ পিএম

শেয়ার করুন:

কোরবানির আগে পাইকারি মসলার বাজার মন্দা!
বাজারে মসলার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও প্রত্যাশিত ক্রেতা নেই
  • এলাচ কেজিতে কমেছে প্রায় ২০০ টাকা, লবঙ্গ কেজিতে ৫০ টাকা, গোলমরিচ স্থির
  • বৈধ আমদানিতে শুল্ক ও করের চাপ বেশি
  • সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মসলা ঢোকার অভিযোগ
  • পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারেও ক্রেতার উপস্থিতি কম
  • খাতুনগঞ্জে মসলার দাম সামগ্রিকভাবে নিম্নমুখী
  • পাইকারি বাজারে আগের মতো ব্যস্ততা নেই

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতি বছরই দেশের পাইকারি মসলার বাজারগুলোতে বাড়তি কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়। বিশেষ করে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার থেকে ঈদের অন্তত এক মাস আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে পাইকারিতে মসলা কিনে নিয়ে যান। কিন্তু এবার চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। বাজারে মসলার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও প্রত্যাশিত ক্রেতা নেই। উল্টো গত কয়েক সপ্তাহে এলাচ, জিরা, লবঙ্গ, দারুচিনি, জায়ফল, কিসমিস ও বাদামসহ বেশিরভাগ মসলার দাম কমেছে।


বিজ্ঞাপন


পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি হওয়া, সীমান্তপথে অবৈধভাবে মসলা ঢোকা, মানুষের কমে যাওয়া ক্রয়ক্ষমতা এবং প্যাকেটজাত মসলার ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে কোরবানির মৌসুমেও ব্যবসায়ীরা কাঙ্ক্ষিত বেচাকেনা পাচ্ছেন না।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি এই বাজারে গরম মসলার দোকানগুলোতে পণ্যের ঘাটতি নেই। এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, গোলমরিচ, জিরা, জায়ফল, জৈত্রিক, শুকনা মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের মসলায় বাজার সয়লাব। কিন্তু অন্যান্য বছরের মতো এবার ক্রেতাদের চাপ নেই। ব্যবসায়ীরা জানান, আগে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এসে ট্রাকভর্তি মসলা কিনে নিয়ে যেতেন। এখন সেই ভিড় অনেকটাই কম। বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা থাকলেও বড় ধরনের কেনাবেচা হচ্ছে না। অনেক দোকানি বাজার যাচাই করে চলে যাচ্ছেন। ফলে ঈদের মৌসুমে সাধারণত যে ব্যস্ততা দেখা যায়, এবার তা অনেকটাই অনুপস্থিত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই সপ্তাহে প্রায় সব ধরনের গরম মসলার দাম কমেছে। মে মাসের শুরুতে যে এলাচ পাইকারি বাজারে চার হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে সেটি বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৯০০ টাকায়। একইভাবে লবঙ্গের দাম কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা কমে এক হাজার ৩০০ টাকায় নেমেছে। ভারতীয় চিকন জিরা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫২৫ থেকে ৫৩৫ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ছিল ৫৫০ টাকার কাছাকাছি। কালো গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রায় এক হাজার ১০ টাকা কেজিতে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাধারণত কোরবানির আগে মসলার চাহিদা বাড়লে দামও বাড়ে। কিন্তু এবার বাজারের গতিপ্রকৃতি সম্পূর্ণ উল্টো। চাহিদা কম থাকায় পাইকারদের অনেকেই কম দামে পণ্য ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।


বিজ্ঞাপন


12

তবে সব মসলার দাম কমেনি। গোলমরিচের বাজারে উল্টো কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বর্তমানে কালো গোলমরিচ প্রতি কেজি এক হাজার ১০৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ছিল প্রায় ৯৫০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে প্রায় সব গোলমরিচ ভিয়েতনাম থেকে আমদানি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের প্রভাবও স্থানীয় বাজারে পড়ছে। তবে সাদা গোলমরিচের দাম কমেছে। বর্তমানে এটি বিক্রি হচ্ছে প্রায় এক হাজার ২২০ টাকায়, যেখানে গত বছর একই পণ্য বিক্রি হয়েছিল প্রায় এক হাজার ৩৫০ টাকায়।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জিরা আমদানি হয়েছে দুই হাজার ৭৯৩ টন, লবঙ্গ এক হাজার ২৫৭ টন, এলাচ এক হাজার ৯৮ টন এবং জায়ফল ৩৪৬ টন। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এসব প্রধান মসলার আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে।

তবে ব্যবসায়ীদের মতে, সরকারি হিসাবে আমদানি কমলেও বাজারে সরবরাহে ঘাটতি নেই। কারণ স্থলবন্দর ও সীমান্তপথ দিয়ে বিপুল মসলা দেশে ঢুকছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন জানান, চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়াও দেশের অন্যান্য বন্দর দিয়েও মসলা আমদানি হচ্ছে। ফলে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কার্যালয়ের তথ্যেও দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১০ মে পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মসলা দেশে এসেছে। এই সময়ে এলাচ এসেছে এক হাজার ১৫০ টন, দারুচিনি ১৩ হাজার ২৯৬ টন, লবঙ্গ এক হাজার ৩৫০ টন, জিরা তিন হাজার ১১৫ টন, জায়ফল ৩৩৬ টন, জৈত্রিক ৩৫০ টন এবং গোলমরিচ এক হাজার ৯৫৯ টন। এছাড়া আদা এসেছে ৪৫ হাজার ৫৩৮ টন এবং রসুন ৫৩ হাজার ১০১ টন। আগের অর্থবছরে এলাচ এসেছিল এক হাজার ৮৪৬ টন এবং দারুচিনি ১৫ হাজার ৭৩৯ টন। অর্থাৎ কিছু মসলার আমদানি কমলেও বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে দেশে প্রায় ৫ লাখ ৭৪ হাজার টন মসলা আমদানি হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আরও প্রায় ২ লাখ টন মসলা আমদানি হয়েছে। অর্থাৎ বাজারে সরবরাহের ঘাটতি থাকার কথা নয়। আমদানিকারকদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম, ডলার সংকট, এলসি জটিলতা এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ বাড়ছে। তবে বাজারে সরবরাহ যথেষ্ট থাকায় বড় ধরনের সংকট নেই।

13

খাতুনগঞ্জের গরম মসলা ব্যবসায়ী নাজিম এন্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী হিসেবে মোহাম্মদ নাজিম ঢাকা মেইলকে বলেন, বৈধভাবে আমদানি করা মসলার সঙ্গে চোরাই পথে আসা পণ্যের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ডিউটি-ট্যাক্স দিয়ে আমদানি করা জিরার খরচ পড়ে কেজিতে প্রায় ৫৩০ টাকা। অথচ বাজারে কিছু ব্যবসায়ী একই জিরা ৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন। একইভাবে এলাচ বৈধভাবে আমদানি করলে প্রতি কেজিতে চার হাজার ১০০ থেকে চার হাজার ২০০ টাকা খরচ পড়ে। কিন্তু চোরাই পথে আসা এলাচ চার হাজার টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। ফলে বৈধ ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের লোকসানে পড়ছেন।

রফিক ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলামও একই ধরনের অভিযোগ করেন। তিনি ঢাকা মেইলকে বলেন, এলাচের ব্যবহার এখন শুধু মাংস রান্নায় সীমাবদ্ধ নেই। চা, বিস্কুট, মিষ্টান্ন, ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যে এলাচ ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে বছরজুড়েই এর চাহিদা থাকে। কিন্তু বাজারে অবৈধভাবে পণ্য ঢোকার কারণে দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাচ্ছে। কোরবানির মৌসুমে সাধারণত বাজারে দাম বাড়ার প্রবণতা থাকে, কিন্তু এবার ব্যবসায়ীরা উল্টো দাম কমিয়ে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে। রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ পাইকারি এই বাজারে এখনো মসলার বেচাকেনা চলছে, তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগের মতো জমজমাট নয়। কোরবানির আগে সাধারণত দুপুর পর্যন্ত দম ফেলার সময় পাওয়া যেত না। এবার সেই তুলনায় বাজার অনেকটাই ফাঁকা।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ভারতীয় জিরা প্রতি কেজি ৫১৫ টাকা এবং আফগান জিরা ৬৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবঙ্গ এক হাজার ১৩০০ টাকা, কালো গোলমরিচ এক হাজার ৩০ টাকা, সাদা গোলমরিচ এক হাজার ২৩০ টাকা, দারুচিনি ৪৮০ টাকা এবং ধনিয়া ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে মানভেদে এলাচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি তিন হাজার ৮০০ থেকে পাঁচ হাজার ২০০ টাকায়। গত বছর একই এলাচ পাঁচ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল। মধ্যমানের এলএমজি এলাচ এখন চার হাজার ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ছিল প্রায় ২০০ টাকা বেশি। কম মানের এসএমজি এলাচ এখন তিন হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর এসব এলাচের দাম ছিল চার হাজার ৩০০ টাকার কাছাকাছি। কোরবানির আগে আলুবোখারার দাম কেজিতে প্রায় ৫০০ টাকা কমেছে। আগে যে এলাচ পাঁচ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন সেটি চার হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

এমএস ট্রেডিং ঢাকা মৌলভীবাজারের স্বত্বাধিকারী মো. মাসুদ ঢাকা মেইলকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধ পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় আমদানি স্বাভাবিক হয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কমেছে। তবে বিক্রি কম থাকায় ব্যবসায়ীরা লাভ করতে পারছেন না।

তিনি বলেন, সপ্তাহখানেক আগেও দাম কিছুটা বেশি ছিল। এখন প্রায় সব পণ্যের দাম কমেছে।

14

মৌলভীবাজারের নজরুল স্টোরের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, আগে কোরবানির আগে দোকানে এত ভিড় থাকত যে দুপুরে খাওয়ার সময় পাওয়া যেত না। এবার বাজারে সেই চাপ নেই। ঈদের আগে এমন মন্দা আগে কখনও দেখিনি। এবার বেচাকেনা একদমই কম। 

বেগম বাজার-মৌলভীবাজার বণিক সমিতির সভাপতি হাজী নজরুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ীদের লাভ তো হচ্ছেই না, উল্টো অনেকেই লোকসানে পড়ছেন। বাজারে পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও ক্রেতারা আগের মতো বড় পরিমাণে কিনছেন না। অনেকেই এখন প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প অল্প করে কিনছেন। এতে পাইকারি ব্যবসায়ীদের বিক্রি কমে গেছে।

মসলায় ভেজাল নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে জিরার সঙ্গে ক্যারাওয়ে বীজ মেশানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে নিম্নমানের পচা মসলা ও ভুষি মিশিয়ে গুঁড়ো মসলা বিক্রির ঘটনাও সামনে আসে। ফলে এখন অনেক পরিবার গোটা মসলা কিনে বাসায় শুকিয়ে নিজস্বভাবে গুঁড়ো করার দিকে ঝুঁকছে।

বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী এনায়েত উল্লাহ বলেন, মসলার বাজার স্থিতিশীল। এই সময় যে দাম থাকা উচিত, তার তুলনায় অনেক পণ্যের দাম বরং কম আছে। চোরাচালানের মাধ্যমে কিছু মসলা আসার কারণে বৈধ ব্যবসায়ীরা চাপের মধ্যে থাকেন, কিন্তু বাজারে বড় কোনো সংকট নেই।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, প্রতি বছর ঈদের আগে মসলার বাজারে চাপ তৈরি হয়। এই সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে দেন। যথাযথ মনিটরিং থাকলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না। আমদানি থেকে শুরু করে পাইকারি ও খুচরা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত নজরদারি না থাকায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।

ভোগ্যপণ্যের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ব্যবসায়ীদের সংগঠন খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুর রহমান ঢাকা মেইলকে বলেন, বাজার পরিস্থিতি বর্তমানে মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার মসলার বাজার অনেকটাই কমে এসেছে। মাঝখানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছিল, কিন্তু পরে তা আবার কমে গেছে। এখন প্রায় সব ধরনের মসলার দামই গত বছরের তুলনায় কম।

তিনি আরও বলেন, দাম কম থাকা সত্ত্বেও বাজারে বেচাকেনা প্রত্যাশিত মাত্রায় হচ্ছে না। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে বাজারে। ফলে দাম কম হলেও বেচাকেনা তুলনামূলকভাবে কম হচ্ছে।

এএইচ/এএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর