শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

শ্রম আইনের বিভ্রান্তিকর ধারা সংশোধনের দাবি নিটওয়্যার ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম

শেয়ার করুন:

Md. Hatem BKMEA
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম (ফাইল ছবি)

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া শ্রম (সংশোধন) বিল–২০২৬ কে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। তবে আইনটির কিছু ধারা এখনো ‘অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর’ রয়ে গেছে দাবি করে সেগুলো দ্রুত সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সময় স্বল্পতার কারণে শ্রম আইনের কিছু ধারায় অনাকাঙ্ক্ষিত অস্পষ্টতা থেকে গেছে। এসব বিষয় পরবর্তীতে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিজ্ঞাপন


বিকেএমইএ সভাপতি দাবি করেন, অতীতে কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্দেশনার প্রভাবে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শ্রম আইনের কয়েকটি ধারায় কৌশলে অস্পষ্টতা তৈরি করা হয়েছিল। এতে শিল্পখাতে শ্রম অসন্তোষের আশঙ্কা তৈরি হয় এবং বিদেশি ক্রেতাদের কাছেও নেতিবাচক বার্তা পৌঁছায়।

বর্তমান সরকার কিছু ধারা সংশোধন করে আইনটি পাস করলেও এখনও কিছু জায়গায় বিভ্রান্তি রয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন মোহাম্মদ হাতেম। তার মতে, এসব অস্পষ্টতা দূর না হলে শিল্পখাতে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, শিল্পকারখানায় শান্তিপূর্ণ উৎপাদন ব্যবস্থা বজায় রাখতে ভবিষ্যতে শ্রমবিধি ও সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের সময় এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তিনি শ্রমিকদের অন্যায়ভাবে কালো তালিকাভুক্ত করাকে অসৎ শ্রম আচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য করার বিধানকে স্বাগত জানান। 

একইসঙ্গে হাতেম বলেন, কোনো ব্যক্তি শ্রমিক পরিচয়ে অবৈধ দাবি তুলে কারখানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, কর্মকর্তাদের জিম্মি করা, অবৈধ ধর্মঘট বা অন্যান্য শ্রমিকদের কাজে বাধা দিলে সেসব কর্মকাণ্ডকেও অসৎ শ্রম আচরণ হিসেবে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।


বিজ্ঞাপন


এছাড়া শ্রম আইন সংস্কারে ভূমিকা রাখা আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দূতাবাসগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, তারা যেন আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের ন্যায্য ও নৈতিক মূল্য দিচ্ছে কি না, সেটিও নজরদারির আওতায় রাখে। অন্যথায় শেষ পর্যন্ত শিল্পকারখানা ও শ্রমিক—উভয় পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 

এমআর/ক.ম 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর