জনগণের আস্থা পুনর্গঠন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।
আমির খসরু বলেন, বিএনপির নতুন সরকার এমন একসময়ে দায়িত্ব নিয়েছে, যখন অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই চাপে। জনগণের আস্থা পুনর্গঠন এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
বিজ্ঞাপন
এর আগে সকাল ১০টায় শুরু হয় অধিবেশন। এতে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তব্যে স্বীকার করেন, অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলো গভীর ও বহুমাত্রিক। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সুশাসন, সংস্কার ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব।
মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে বাস্তবায়িত মেগা প্রকল্পগুলো এই ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ্য। ফলে জনগণ সেই বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল ভোগ করতে পারছে না। এর মাধ্যমে লাখোকোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। একটি অর্থনীতি যখন শিল্পের চালিকা শক্তি হারিয়ে ফেলে, তখন কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়। সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। বিগত সময়ে এটি চরমভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার সীমাহীন দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করানোর পাশাপাশি সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতকে অকার্যকর করে দিয়েছে। বিগত বিএনপি সরকার অর্থনীতির মূল সূচকগুলো যেখানে ইতিবাচক ধারায় নিয়ে এসে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে গিয়েছিল, বিগত ১৬ বছরে তা অনেকটাই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সর্বশেষ অর্থবছর ২০০৫-০৬, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ অর্থবছর ২০২৩-২৪ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সামষ্টিক অর্থনীতির সূচক, রাজনৈতিক ও সামাজিক খাতের সূচক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থার একটা চিত্র দেশবাসীকে অবহিত করতে চান।
পাশাপাশি জনগণের ভাগ্যে একটি উন্নত, মর্যাদাশীল, বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গঠনে বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুত দর্শন–নীতিকৌশলের বিষয়ে দেশবাসীকে অবহিত করতে চান তিনি।
এমআইকে/এআরএম




