আগামী ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে ভ্যাট ও আমদানি শুল্কে নতুন করে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি বলেছেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে বিভিন্ন খাতে বিদ্যমান কর অব্যাহতি ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হবে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনের সম্মেলন কক্ষে পরিবহন খাতের সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সামনে প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের প্রয়োজন রয়েছে। এ লক্ষ্য পূরণে আগের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি রাজস্ব সংগ্রহ করতে হবে। তাই রাজস্ব বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।
তিনি জানান, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট খাতে সর্বোচ্চ কর ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে টার্নওভার ট্যাক্স কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
কর ফাঁকির কারণে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভ্যাট রিফান্ড কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে গত দেড় বছর ধরে রিফান্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। পুরো রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অনলাইনভিত্তিক না হওয়া পর্যন্ত এই পরিস্থিতি কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন
প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ অটোমোবাইলস অ্যাসেম্বলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়ে (প্যাসেঞ্জার ক্যারিয়ার) অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মোটরসাইকেল অ্যাসেম্বলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ শিপ বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন, এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যান্ড এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বারভিডা, লঞ্চ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।
এমআর/এআর

