সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে রংপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৈয়দপুর থেকে রংপুর পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। এই দীর্ঘ পথজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমনী যাত্রাপথে রাস্তার দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানাবেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই ব্যানার, ফেস্টুন, দলীয় পতাকা এবং ফুল হাতে নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নিতে শুরু করেন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ। ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে মহাসড়ক ও আশেপাশের চারপাশ।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, সম্প্রীতি রংপুরে আসছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরকে ঐতিহাসিক করতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। সৈয়দপুর থেকে রংপুর ৪০ কিলোমিটারের এই দীর্ঘ যাত্রাপথে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই নেতাকর্মীরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেবেন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে চারস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরাও ট্রাফিক ব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন সকাল থেকেই।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুর নগরীর রাধা গোবিন্দ মন্দির (রংপুর ধর্মসভা) পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন। রাজধানীর বাইরে শারদীয় উৎসব দেখতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে বিরল ঘটনা হিসেবে দেখছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা। তারা মনে করছেন, এ সফর রংপুর নগরীকে আলোকিত করবে।

এরআগে, প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা সামরিক বিমানটি সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তার আগে, সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন।
প্রতিনিধি/এসআই




