ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার ও বকুল গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এর জেরে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালেও দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার স্থানীয় বাজারে আক্তার গ্রুপের এনাম ও বকুল গ্রুপের রুবেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে প্রথমে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় দুই পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে।
এর জের ধরে রোববার সকাল সাতটার দিকে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সকাল ১০টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেশীয় অস্ত্র হাতে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস




