রাজশাহীতে পদ্মা কলেজে ‘হেল্প ডেস্ক বসানো নিয়ে হামলা’ ও সংঘর্ষের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতাদের নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মহানগর ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর পদ্মা সরকারি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নগরীর ভদ্রা এলাকার কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে দুই সংগঠনের নেতারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ করেছে ছাত্রদল ও শিবির।
শিবিরকে সংঘর্ষের জন্য দায়ী করে তাৎক্ষণিক মিছিল করে ছাত্রদল। মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমনের নেতৃত্বে এ মিছিল হয়। এতে মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
এরপর সন্ধ্যায় মিছিলের আয়োজন করে শিবির।
ওই মিছিলে শিবিরের কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক মো. আব্দুর রহিম, জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরীর বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সারওয়ার জাহান প্রিন্স, জামায়াতের যুব সংগঠনের রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি মো. সালাউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের শ্রমিক সংগঠনের মহানগরের নেতা খাইরুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন এবং মিছিল শেষে সোনাদিঘির মোড়ে শহীদ মিনারের সামনে সমাবেশে তারা বক্তব্য দেন।
এ সময় মহানগর শিবিরের সভাপতি ইমরান নাজির ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ার করে বলেন, 'আমরা ছাত্রদলের বন্ধুদের বলছি, আমরা ধৈর্যের সীমান্তের একবারে শেষ পর্যায়ে আছি। যদি আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, প্রত্যেকটা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কুত্তার মতো পিটিয়ে রাজশাহী ছাড়া করব।'
সমাবেশে জামায়াত নেতা সারওয়ার জাহান প্রিন্স বলেন, নির্দেশ পেলে এক ঘণ্টার মধ্যে ছাত্রদলকে রাজশাহী থেকে বিতাড়িত করা হবে।
শিবিরের এমন বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রদলের নেতারা। শিবিরকে রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন বলেন, শিবির যেমন গুপ্ত হয়ে ছাত্রলীগের সাথে থেকে হেলমেট পরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করত আগে, আজ পদ্মা কলেজে শিবিরের ভেতর ছাত্রলীগ গুপ্ত হয়ে হামলা করেছে আমাদের আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর। এছাড়া শিবিরের সন্ত্রাসীরাও ছিল।
প্রতিনিধি/এলএ




