ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে ঢুকে দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পৌর যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজিব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন। অভিযুক্ত নাজমুল হুদা সানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। ঘটনার পর থেকে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
আহত দুই কর্মীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্সি নেওয়ার চেষ্টা করছেন নাজমুল হুদা সানি। তবে ট্রেনের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দিচ্ছে না। এ নিয়ে তার ক্ষোভ রয়েছে।

তারা জানান, আজ সকালে বুকিং ক্লার্ক কাউসারকে ফোন করেন সানি। কাউসার ফোন না ধরায় তিনি কাউন্টারে এসে তাকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। এ সময় কাউন্টার ম্যানেজার সজিবকেও মারধর করা হয়। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্মীরা কাউন্টার বন্ধ করে দেন।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা সানি। তিনি বলেন, কাউন্টারের কর্মীরা নিয়মিত কালোবাজারিদের কাছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় টিকিট বিক্রি করেন বলে যাত্রীরা তাকে জানিয়েছেন। ৩০০-৪০০টি টিকিট থাকলেও ১০০টি টিকিট দিয়ে বাকিগুলো কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে তিনি কাউন্টারে গিয়েছিলেন। সেখানে কথা-কাটাকাটি হয়েছে, তবে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. সাকির জাহান বলেন, টিকিট বিক্রির সময় কাউন্টার ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ তিনি শুনেছেন। তবে ঘটনার পর তারা কাউন্টার বন্ধ করে চলে যাওয়ায় তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
প্রতিনিধি/এসএস




