জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ঢাকা মেইলে’ সংবাদ প্রকাশের একদিন পর সেই দিশেহারা কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডস্থ লাহারকান্দি গ্রামের সাদুল্লার ডগি (বিস্তীর্ণ) ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইসহাক, ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী এ.বি.এম আশরাফ উদ্দিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ১২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পলাশ, মো. সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল্লাহ সাফুসহ প্রমুখ।
সরেজমিনে জানা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে কৃষক আমন ধানের চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন। একসময় ফসলের মাঠের চতুর্দিকে পানি নামার ব্যবস্থা ছিল, এখন নেই। অতি বৃষ্টি হলে উৎপাদিত ফসলের চরম ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। দিনদিন ঘর-বাড়ি, বাগান তৈরি করার কারণে পানি নামার পথগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কৃষি ক্ষেতের দৃশ্যমান ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।
১২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পলাশ বলেন, আমরা আনন্দিত। ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশের সাথে সাথেই পৌরসভার প্রশাসক সম্রাট খীসা আমাদেরকে ডেকে পানিবন্দি কৃষকদের বিষয়টি বিস্তারিত জানেন। শিগগির জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেবেন। সত্যিই তার একদিন পর (সোমবার) পৌরসভার দুইজন ইঞ্জিনিয়ার সরেজমিন পরিদর্শন করে মাপঝোঁক করে নেন।
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইসহাক ঢাকা মেইলকে জানান, পৌর প্রশাসকের নির্দেশে আমরা সাদুল্লার ডগি পরিদর্শন করছি। জলাবদ্ধতার বিষয়টি সত্যতা পেয়েছি। পানি নামার জন্য দুইটি স্থান নির্ধারণ করছি। দুইটি স্থানে ৩৬০ ফুট পরিমাপ করছি। সেই দুই স্থানে পাইপ বসানো হবে। তাহলে দ্রুতগতিতে পানি নিষ্কাশন হবে। কৃষক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ‘লক্ষ্মীপুরে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন না থাকায় বিপাকে কৃষক’ এমন শিরোনামে ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় পৌরসভার প্রশাসক সম্রাট খীসার। তিনি ওই দিন বিকেলে ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শ করেন। কীভাবে দ্রুত ফসলের মাঠ থেকে জলাবদ্ধতা নিরসন করা যায়।
প্রতিনিধি/এলএ




