নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ‘ম্যাকপার্শ্বন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর সহকারী শিক্ষক মামুন অর রশিদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনিয়ম, নারী ঘটিত অপকর্ম, শিক্ষক হাজিরা খাতা ছিঁড়ে ফেলাসহ একগুচ্ছ গুরুতর অভিযোগে তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত করার মতো গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।
নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট তাকে বরখাস্ত করে একটি অফিস আদেশ জারি করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক মামুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে কোন্দল সৃষ্টি, অফিসে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি, অনৈতিক আচরণের ছবি ফোনে ধারণ, বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষক হাজিরা খাতা ছিঁড়ে ফেলা, সহকর্মীদের হুমকি প্রদান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেজে ফোন করাসহ নানা অভিযোগ ওঠে।
ঘটনা তদন্তে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। প্রথম দফায় চলতি বছরের ১৬ জুন এবং দ্বিতীয় দফায় ২৪ জুন তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী ৩০ জুলাই এক আদেশে তাকে ৩ আগস্ট উপস্থিত হয়ে ব্যক্তিগত শুনানির সুযোগ দেওয়া হলেও অভিযুক্ত শিক্ষক এতে উপস্থিত হননি।
অভিযোগের বিষয়ে চাকরিচ্যুত মামুন অর রশিদকে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অসদাচরণ এবং অনিয়মের বিষয়গুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিনিধি/এলএ




