রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

পরশুরামে রেলওয়ের জলাশয় ভরাট, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী
প্রকাশিত: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১০ পিএম

শেয়ার করুন:

পরশুরামে রেলওয়ের জলাশয় ভরাটের অভিযোগ, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে থানায় আবেদন

ফেনীর পরশুরামে বাংলাদেশ রেলওয়ের অধিগ্রহণকৃত একটি সরকারি জলাশয় ভরাট করে শ্রেণি পরিবর্তন এবং সেখানে দোকানঘর নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় ঠিকাদার তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত আবেদন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২ আগস্ট) চট্টগ্রাম রেলওয়ের অধীন ৩১ নম্বর ফেনী কাচারির আমিন মো. সলিম উল্লাহ চৌধুরী এ আবেদন করেন। অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম পরশুরাম উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, উপজেলার কোলাপাড়া এলাকায় রুহুল আমিন মজুমদারের বাড়ির সামনে এবং রেললাইনের পশ্চিম পাশে কলেজ রোডসংলগ্ন রেলওয়ের অধিগ্রহণকৃত প্রায় ০ দশমিক ২৩ একর লাইসেন্সকৃত জলাশয়ে গত ১৫ জুলাই থেকে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি ভরাট শুরু করা হয়। খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পায় বলে দাবি করেছে। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে কাজ বন্ধ করতে বলা হলেও তিনি তা অমান্য করে ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন

ঝালকাঠিতে দুই যুগ ধরে বেহাল সড়ক, সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারি জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করে সেখানে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এ কারণে জলাশয়ের শ্রেণি পরিবর্তন ও অবৈধ দখল ঠেকাতে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর গ্রহণের জন্য পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে আবেদন করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ঠিকাদার অতীতেও সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ ও বরাদ্দের অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, কৃষিকাজের জন্য তিনি রেলওয়ে থেকে জমিটি ইজারা নিয়েছেন এবং গত ৪০ বছর ধরে নিয়মিত খাজনা দিয়ে আসছেন। তার দাবি, ইজারাকৃত জমি হওয়ায় মাটি ভরাটের জন্য আলাদা অনুমতির প্রয়োজন মনে করেননি এবং তিনি ইজারার কোনো শর্ত ভঙ্গ করেননি।

পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ের নিজস্ব পৃথক থানা রয়েছে। স্থানীয় থানায় এখনো সরাসরি কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে বা রেলওয়ে পুলিশ সহযোগিতা চাইলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর