জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৬টি পৃথক কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
সোমবার (৪ মে) টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব কমিটি গঠন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে চসিকের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চসিক মেয়র চাকতাই, মুরাদপুর, রামপুরা খাল, আজম পাহাড় খাল, গাউছিয়া রোড, রুপসা বেকারি এলাকা, গুলজারখাল ও মাদারবাড়ি এলাকার জলাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন। তারই আলোকে ৬টি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিগুলো হল-হিজরা খালের জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন–উল ইসলাম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা কল্লোল দাশ। জামাল খান খাল ও হিজরা খালের জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন উল ইসলাম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা কল্লোল দাশ। রামপুর খালের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, নির্বাহী প্রকৌশলী তাসমিয়া তাহসিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা আলী আকবর।
গুলজার খালের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, জোন কর্মকর্তা জাহেদুল্লাহ রাশেদ। মনোহরদি খালের জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ।
বিজ্ঞাপন
চান্দগাঁও-মুরাদপুর এলাকার জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) ফরহাদুল আলম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মৌমিতা দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা আবু তাহের। ওয়াসার সাথে সমন্বয় সাধন করবেন চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন এবং প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান। জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকৌশলগত সার্বিক কার্যক্রমে পরামর্শ দিবেন প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।
কমিটিগুলোর সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান। মেয়র এ সময় বিভিন্ন খাল, ড্রেন, কালভার্ট, সংযোগ নালা, সড়ক ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন মেয়র।
মেয়র বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে এখন আর কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, কোন খাল বা ড্রেন বন্ধ রয়েছে, কোথায় বাঁধ বা নির্মাণসামগ্রী পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছে এসব দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে।
প্রতিনিধি/টিবি




