সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

সুন্দরগঞ্জে যাতায়াতের রাস্তায় বেড়া, ২ শতাধিক মানুষ অবরুদ্ধ

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২০ পিএম

শেয়ার করুন:

সুন্দরগঞ্জে যাতায়াতের রাস্তায় বেড়া, ২ শতাধিক মানুষ অবরুদ্ধ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় যাতায়াতের রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৩০ পরিবারের দুই শতাধিক মানুষ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছেন।  

রোববার (১২ এপ্রিল) উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের পূর্ব সোনারায় গ্রামে দেখা গেছে অবরুদ্ধ পরিবারের মানুষগুলোর করুণ দৃশ্য।


বিজ্ঞাপন


এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মফিজল হক (৪৫) নামের এক ভুক্তভোগী। তিনি ও গ্রামের মো. ছলেহ হক শেখের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মফিজল হকের বসতবাড়ির পশ্চিম পাশ দিয়ে একটি রাস্তা রয়েছে। যা দিয়ে আশপাশের ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবারের প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছিল। পূর্বে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে তার বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আসামিদের সাজাও হয়। পরে তারা জামিনে বের হয়ে এসে পুনরায় তাদের ওপর ক্ষুব্ধ আচরণ করতে থাকে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত আবুল কাশেম গংরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বসতবাড়ির উত্তর পাশের সীমানায় এসে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঘের তৈরি করে রাস্তা বন্ধ করে দেন।

আরও পড়ুন

গাইবান্ধায় জব্দ করা বালু লুটের অভিযোগ

এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাদের মারধরের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বাঁশ আর কঞ্চি দিয়ে শক্ত করে বেড়া দেওয়া হয়েছে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তায়। বাড়ি থেকে বের হওয়ার বাকি ছোটো খাটো পথগুলোতেও বেড়া দিয়ে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। ছোট-বড় সবমিলিয়ে ৪টি বেড়া পাওয়া গেছে। চরম আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় আছ অবরুদ্ধ ৩০ পরিবারের দুই শতাধিক নারী ও পুরুষ।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মফিজল হক, যুগ যুগ ধরে এই রাস্তা দিয়ে আমার বাপ-দাদার চৌদ্দ গোষ্ঠী চলাচল করে আসছি। কাশিমের সাথে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে। সেই কারণে এই কাইশম রাস্তাটি বন্ধ করি দিয়েছে। 

অভিযুক্ত মনজু মিয়া বলেন, ১০-১২ বছর থেকে আমাদের মামলা দিয়ে তারা হয়রানি করছেন তারা। কয়েকদিন হয় জেল থেকে এসেছি। সে কারণে মনমানসিকতা ভালো নেই আমাদের। সেকারণে এটা করেছি।

এ বিষয়ে কথা হয় সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, উক্ত ঘটনায় পুলিশ তৎপর আছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এসএস 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর