বান্দরবানে আগুনে দগ্ধ হয়ে হ্লানুচিং মারমা (৪৬) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ২টায় বান্দরবান পৌর এলাকার বালাঘাটা ফথোয়াই অং কারবারি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
নিহত হ্লানুচিং মারমা (৪৬) ওই এলাকার মেদোক মারমার মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জান যায়, নিহত হ্লানুচিং মারমাদের বাড়ি পাড়া থেকে একটু দূরে হওয়ায় ওই দিকে তেমন কারো যাওয়া আসা নেই। তবে আজ দুপুরে হঠাৎ তাদের বাড়িটিতে আগুন দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা ফায়ারসার্ভিস ও পুলিশে খবর দেয়। স্থানীয় ও ফায়ারসার্ভিসের কয়েকঘণ্টা প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও এই ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হ্লানুচিং মারমার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা আরও জানায়, হ্লানুচিং মারমা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীতায় ভুগছিলেন এবং বাড়িতে মা-বাবার অনুপস্থিতিতে নিজেই নিজের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
বান্দরবান ফায়ারসার্ভিসের স্টেশন অফিসার কামাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ারসার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং পোড়া বাড়িতে তল্লাশি করে বাথরুম থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
স্থানীয়দের বরাত তিনি আরও বলেন, হ্লানুচিং মারমা গত ২০ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং এলাকার লোকজনকে মারধর করতে দৌড়াতেন। এছাড়া আজ সকালেও তার মা-বাবাকে মেরে ঘর থেকে তাড়িয়েছেন বলে এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
প্রতিনিধি/এসএস




