কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের দেওয়া তথ্য মোতাবেক কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় শতাধিক শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ৩৫ রোগী এবং কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতোলে ৬২ জন রোগী ভর্তি আছে। জেলার মধ্যে কুমারখালী দৌলতপুর উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।
আক্রান্তদের অধিকাংশেরই বয়স ৩ মাস থেকে ৫ বছরের মধ্যে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও এই রোগ নির্ণয়ের জন্য কুষ্টিয়া জেলায় নেই কোনো নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা। যার কারণে রোগীর স্বজনদের হামে আক্রান্ত হয়েছে কি না তা জানতে অপেক্ষা করা লাগছে ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত। আর এই কারণে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি রোগীর স্বজনদের।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, হামের নমুনা পরীক্ষা একটি জটিল বিষয়। তাই এটি জেলা পর্যায়ে করা হয় না। আমরা আমাদের সোর্সের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে পরীক্ষা করার পরে আমরা অনলাইনে ফলাফল পেয়ে যায়। এই পক্রিয়ায় আমাদের নমুনা পরীক্ষা এবং তার ফলাফল পেতে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লেগে যায়। এতে কিছুটা সমস্যা হয়। একসঙ্গে সারা দেশের পরীক্ষা ব্যাবস্থা ঢাকায় না করে তিন থেকে চারটি জেলা মিলে পরীক্ষার ব্যাবস্থা করতে পারলে রোগীদের সেবা দিতে আরো সুবিধা হতো।
কামাল হোসেন আরো বলেন, যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছিল তাতে আমরা একটু ভয় পাচ্ছিলাম, তবে আক্রান্তের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। সেই সাথে দুই এক দিনের মধ্যে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। আসা করা যায় আমরা এই সমস্যা থেকে দ্রুতই বেরিয়ে আসতে পারব।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/এসএস
