নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হত্যা মামলায় পলাতক অভিযুক্তদের বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় মঞ্জুরা আক্তার নামের এক নারী শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৮ মার্চ) মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২২ মার্চ) উপজেলার পদারকোণা গ্রামে বাড়ির সীমানা নিয়ে মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী শান্তু মিয়ার তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ায় উভয়পক্ষ। কিছুক্ষণ পরই মঞ্জু মিয়া মারা যান। এ ঘটনায় ওইদিনই রাতেই মঞ্জু মিয়ার ছেলে সালেক মিয়া বাদী হয়ে শান্ত মিয়াসহ ৬ জনের নাম উল্লেখসহ আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মদন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকেই অভিযুক্তরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গা ঢাকা দেয়। পরে গত সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দফা হামলা চালিয়ে অভিযুক্তদের বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় মঞ্জুরা আক্তার বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের এখলাছ মিয়া ও রানা মিয়াসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ভাঙচুর ও লুটপাটে ৪৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে মঞ্জুরা আক্তার জানান, সীমানা নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়েছে ঠিক। কিন্তু মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তর্ক করার সময় মঞ্জু মিয়া অসুস্থ হয়ে মারা যায়। কিন্তু আমাদের লোকজনের নামে হত্যা মামলা দিয়ে বসত ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। বিচার চেয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।
বিজ্ঞাপন
জানতে চাইলে নিহত মঞ্জু মিয়ার ছেলে সালেক মিয়া জানান, আমার বাবা মারা গেছে। আমরা শোকে কাতর। আসামিদের ঘর বাড়ি কারা ভাঙচুর করছে তা কিছুই আমি জানি না।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান জানান, আসামিদের বসত বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
প্রতিনিধি/টিবি

