মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ৫ দিন ধরে তেল পাম্প বন্ধ, চালকদের ভোগান্তি

জেলা প্রতিনিধি, রংপুর
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

শেয়ার করুন:

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ৫ দিন ধরে তেল পাম্প বন্ধ, চালকদের ভোগান্তি

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পাঁচ দিন ধরে তেল পাম্প বন্ধ রয়েছে। যার কারণে পেট্রোল ও অকটেন চালিত যানবাহনের চালকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ঈদুল ফিতরের তিনদিনেও কোনো পাম্প খোলেনি। আর এই সুযোগে খোলা বাজারে প্রতি লিটার পেট্রোল ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে অনিয়ম বা সিন্ডিকেটের আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগী গাড়ি চালকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মধ্য অবস্থিত চারটি পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেন না থাকায় সামনে দড়ি টেনে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। যার ফলে অনেক যানবাহনের চালক তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।


বিজ্ঞাপন


বুড়িরহাট এলাকার মিম ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল নিয়ে পেট্রোল নিতে এসেছেন সাকিব আল হাসান। তিনি জানান, মোটরসাইকেলের তেল শেষ হয়ে গেছে। হেঁটে হেঁটে মোটরসাইকেল নিয়ে তিনি এসেছেন। অথচ তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে খোলা বাজারে বেশি দামে তেল কিনতে হবে।

আরও পড়ুন

খাগড়াছড়িতে তেল সংকটে পাম্পে দীর্ঘ সারি, চরম ভোগান্তিতে পর্যটকরা

শাহ আলম ফিলিং স্টেশনের সামনে মোটরসাইকেল আরোহী শাহীল ফারহান জানান, ঈদের ছুটিতে ঢাকা থেকে গ্রামে এসেছি ঈদ করতে। ঈদের পরে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াব সেই সুযোগ নেই। কোথাও পেট্রোল পাচ্ছি না। এটা খুবই ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। একই কথা জানান রহমত আলী। তিনি বলেন, কয়েকটি পাম্প ঘুরেও তেল পাইনি। বাধ্য হয়ে বাজার থেকে খোলা তেল ২৫০ টাকা লিটার দরে কিনেছি। পাম্পে তেল নেই। অথচ খোলা বাজারে তেলা পাওয়া যাচ্ছে।

b293bcb5-e2f0-4f55-90f2-3e04ff3adb8f


বিজ্ঞাপন


এ বিষয়ে পাম্পের মালিকেরা জানান, পাঁচ দিন পর ডিপো থেকে জ্বালানি সরবরাহ করা হলেও শুধু ডিজেল দেওয়া হয়েছে। পেট্রোল ও অকটেন না থাকায় গ্রাহকদের চাপ ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পাম্পগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে তারা। এ নিয়ে ডিপোতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ মিলছে না। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তার বলেন, সকালেই বিষয়টি জেনেছি। পাম্পগুলোতে পেট্রোল-অকটেন সরবরাহ না পাওয়ার বিষয়টি মালিকরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানালে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতাম। তারপরও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলার চেষ্টা করছি। কীভাবে দ্রুত সমাধান করা যায়।

প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর