ঢাকার দোহার উপজেলায় মলি হত্যাকাণ্ডের ৩ দিন অতিবাহিত হলেও, এখনো পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি দোহার থানা পুলিশ। এ নিয়ে নিহত মলির পরিবার আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তায় মধ্যে সময় পার করছে। পুলিশ মলির মোবাইল ফোন জব্দ করেছে। ওই মোবাইল কল রেকর্ডের মাধ্যমে আসামি শনাক্ত করা সম্ভব বলে জানিয়েছে মলির বাবা। তারা বলছে, খুন হওয়ার ১০ মিনিট আগে মলির সঙ্গে কথা হয় একজনের সঙ্গে। ফোন কলের রেকর্ড ধরে আগালে আসামি গ্রেফতার করা সম্ভব।
দোহার উপজেলার বাহ্রা বাগেরকাচা এলাকায় বাদশা বাবুর্চিও মেয়ে মলি আক্তার (২৮) কুয়েত প্রবাসী। সে কুয়েতে গৃহকর্মীর কাজ করতো। প্রায় দেড় মাস আগে কুয়েত ছুটিতে দেশে আসে মলি। ১৫ দিন পর তার কুয়েতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৪ মার্চ ভোরে বাড়ির অদূরে কে বার কারা তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ৭ বছর আগে মলির সঙ্গে নোয়াখালীর ঈসমাইল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হলেও গত এক বছর পর বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের কারণে ঈসমাইল মলিকে হত্যা করতে পারে বলে জানান মলির বাবা বাদশা বাবুর্চি।
বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় মলির বাবা বাদশা বাবুর্চি বাদি হয়ে দোহার থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় ইসমাইলকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুবকর সিদ্দিক জানায়, যারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদেরকে শনাক্ত করতে পুলিশ তৎপর। আমাদের কাছে যে তথ্য প্রমাণ আছে, সেই সূত্র ধরেই আমরা সামনের দিকে অগ্রহর হচ্ছি। আশা করির খুব শিগ্গিরই আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।
প্রতিনিধি/এসএস

