বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছেন, সাংবাদিকদের বড় সমস্যা হলো চিকিৎসা ব্যয়। বর্তমানে জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তা দেওয়া হলেও তা নিয়মিত বা কাঠামোবদ্ধ নয়। ফলে একবার সহায়তা পাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পুনরায় সহযোগিতার সুযোগ থাকে না। এ অবস্থার পরিবর্তনে একটি স্থায়ী স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বোর্ড সভায় সাংবাদিকদের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ চালুর নীতিগত অনুমোদন মিলেছে। প্রথমে সাংবাদিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করা হবে, এরপর নিবন্ধনের ভিত্তিতে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের আওতায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকায় কার্যক্রম শুরু করে পরে বিভাগীয় ও জেলা শহর পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।।
বিজ্ঞাপন
রোববার (১ মার্চ) সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সহযোগিতায় ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন, খুলনার ব্যবস্থাপনায় খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা ও মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানার পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলার সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান আরিফ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন ও খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মো. নূরুজ্জামান, সহ-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নূর, কোষাধ্যক্ষ মো. রকিবুল ইসলাম মতি, নির্বাহী সদস্য মো. এরশাদ আলী, কে এম জিয়াউস সাদাত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আলাউদ্দিন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হিমালয়, সিনিয়র সদস্য মুনীর উদ্দিন আহমেদ, আহমদ মুসা রঞ্জু, স ম গোলাম মোস্তফা, দৈনিক ইনকিলাবের কালিগঞ্জ উপজেলা সংবাদদাতা মো. হাফিজুর রহমান শিমুল প্রমুখ। খুলনার ১৮ জন ও সাতক্ষীরার ১৫ জন সাংবাদিকের মেধাবী সন্তানের মাঝে এবং ৭ জন সাংবাদিককে চিকিৎসা সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমনটি সাংবাদিক বান্ধব ছিলেন, তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে গেছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সাংবাদিকদের অবাধ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/এসএস

