কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদীপক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার সাক্ষী আসমত গাইন (৫৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ছাতারপাড়া গ্রামে নিহতদের বাড়িতে গিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর বুধবার ছাতারপাড়া বাজারে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন আপন দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় আরও দুজন আহত হন। আহতদের মধ্যে আসমত গাইনও ছিলেন।
নিহতরা হলেন হামিদুল ইসলাম (৪৮) ও তার ছোট ভাই নজরুল ইসলাম (৪৫)। তারা ছাতারপাড়া এলাকার বেগুনবাড়িয়া গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে।
এলাকাবাসীর দাবি, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গাইন বংশের লোকজন কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়ায় পিয়াদা বংশের লোকজন তাদের ওপর ২৪ সালে হামলা চালায় এতে গাইন বংশের আপন দুই ভাই নিহত হয়। সেই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলা তুলে নিতে সম্প্রতি বাদীপক্ষকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। মামলা প্রত্যাহার না করায় প্রতিপক্ষের লোকজন মামলার সাক্ষী আসমত গাইনের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার বিষয়ে আহত আসমতের ভাতিজা সজিব হোসেন বলেন, ইফতারের আগে আমাদের বাড়িতে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এতে আমার চাচা দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত বছর আমাদের গ্রামে আপন দুই ভাইকে হত্যার ঘটনায় তিনি নিজেও আহত হন এবং ওই মামলার অন্যতম সাক্ষী।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, পূর্বের জোড়া খুনের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস

