কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) আসনের নির্বাচনে কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের তিনবারের নির্বাচিত সিনেটর শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন। তিনি বলেন, এ আসনে নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিয়ম হলে তা প্রতিহত করা হবে এবং এ বিষয়ে তিনি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাজিতপুর ডাকবাংলো মাঠে আয়োজিত স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) হাঁস প্রতীকের প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সিনেটর চন্দন ওই প্রার্থীর বড় ভাই।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, এখানে কোনো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হতে দেওয়া হবে না। যদি এমন কিছু হয়, তাহলে সমস্যা হবে। আমি কাউকে ছাড়ব না। যতদিন এখানে আছি, নির্বাচন সুষ্ঠু রাখার বিষয়ে সচেতন থাকব।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক সবসময় ভালো ছিল এবং এখনও ইতিবাচক রয়েছে। গণমাধ্যমে কখনো ভিন্ন ধারণা তৈরি হলেও বাস্তবে সম্পর্কের ভিত্তি শক্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশ যেন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়, সেটিই তার প্রত্যাশা বলে জানান।
বিজ্ঞাপন
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোট দেওয়া নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার ও দায়িত্ব। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, জনসভাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই বাজিতপুর পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাঠে আসতে থাকেন। এতে মাঠজুড়ে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। জনসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও বক্তব্য দেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এ জনসভা এবং সিনেটর চন্দনের মন্তব্য নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই আসনে বিএনপি থেকে প্রথমে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হলেও পরে তাকে বাতিল করে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া সৈয়দ এহসানুল হুদাকে।
প্রতিনিধি/এসএস

