মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচারণবিধি লঙ্ঘনসহ সব দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি বিএনপির প্রার্থীর ছাতার নিছে দাঁড়িয়েছে। এমন মন্তব্য করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এই আসনের ৫ প্রার্থী।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে শহরের পূর্বদাশড়া এলাকায় মফিজুল ইসলাম খান কামালের বাস ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, স্বতন্ত্র প্রর্থী মফিজুল ইসলাম খান কামাল (সূর্যমুখী ফুল মার্কা), জাতীয় পার্টির আবুল বাশার বাদশা (লাঙ্গল মার্কা), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাজাহান হোসেন সাজু (প্রাইভেট কার মার্কা), স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান (মোটরসাইকেল মার্কা), জাতীয় পার্টি (জেপি) মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস (বাইসাইকেল মার্কা)।
এসময় বক্তব্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাজাহান হোসেন সাজু বলেন, বিএনপির ভোট রয়েছে ৫ শতাংশ, সে জন্য তারা দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি সবাইকে বিএনপির প্রার্থীর ছাতার নিছে নিয়েছেন। তাদেরকে দিয়ে সাধারণ ভোটারদের হুমকি প্রদান করছেন তাদের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য।
স্বতন্ত্র প্রর্থী মফিজুল ইসলাম খান কামাল বলেন, বিএনপির প্রার্থী আচরণ বিধি মানে না। আমরা জানি, একটি ইউনিয়নে একটি করে অফিস করার কথা থাকলেও বিএনপির প্রার্থীর প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে ৪ থেকে ৫টি অফিস রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
জাতীয় পার্টির আবুল বাশার বাদশা বলেন, নির্বাচনে পোস্টার ছাপানো নিষেধ থাকলেও বিএনপির প্রার্থী তা মানছেন না। তারা ক্যালেন্ডার তৈরি করে সেই ক্যালেন্ডার বাড়ি, বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন। ক্যালেন্ডারে বিএনপির প্রার্থীর ছবিসহ লেখা রয়েছে ধানের শীষে ভোট দিন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয় জানার পরেও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই প্রশাসন ব্যর্থ বলে আমি মনে করি। তাদের কাছে অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
জাতীয় পার্টি (জেপি) মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস বলেন, আমরা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করি। সে জন্য এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আশা করব সামনের দিনগুলোতে প্রশাসন দায়িত্বশীল হবেন এবং সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দেবেন।
প্রতিনিধি/এসএস

