বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

মাগুরায় ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা
প্রকাশিত: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

শেয়ার করুন:

মাগুরায় ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মাগুরার জনজীবন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকা এবং শিশু স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে।


বিজ্ঞাপন


গত সপ্তাহে শুরু হওয়া হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও জেলার সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।

টানা কয়েক দিনের তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, নারী ও বয়স্করা। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে নিম্ন আয়ের ও দুস্থ মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। নিম্ন আয়ের মানুষদেরকে শীত নিবারণের জন্য রাস্তার পাশের পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় করতে দেখা গেছে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে কেউ কেউ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

thumbnail_IMG_20251226_111146

একই সঙ্গে সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। সদর হাসপাতালে শিশু ও বয়স্ক রোগীদের ভিড় আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে।


বিজ্ঞাপন


হোটেল শ্রমিক আকিদুল বলেন, সারারাত কনকনে ঠান্ডা থাকে, দিনের বেলাতেও একই অবস্থা। সীমিত আয় দিয়ে শীতের পোশাক কেনা সম্ভব না। তাই রাস্তার পাশ থেকে পুরোনো কাপড় কিনে শীত নিবারণ করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন

হাতিয়ায় তিনদিন ধরে কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত

রিকশাচালক মতিয়ার বলেন, কয়েকদিন ধরে এত ঠান্ডা যে কাজে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়। তবুও সংসারের কথা ভেবে কাজে বের হতে হচ্ছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক কৃষ্ণপদ বিশ্বাস বলেন, শীতে প্রচুর শিশু ও বৃদ্ধ রোগী শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতায় হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এই সময়টাতে শিশুদেরকে এবং বৃদ্ধ মানুষদেরকে বাড়িতে বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, মাগুরা কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় মাগুরায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ। তিনি জানান, চলতি সপ্তাহে জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর