ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসে হেলে পড়েছে আমন ধান। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছে উপকূলীয় এলাকার লাখ লাখ কৃষক।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টির প্রভাবে অনেক জায়গায় ধানগাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে। এর মধ্যে আধা পাকা আমন ধানগাছও রয়েছে। এছাড়া যেসব গাছে এখনও ধান আসেনি সেগুলো কেটে গরু-ছাগলের খাবার হিসেবে ব্যবহার করেন অনেকে।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক সাইদুল হক জানান, এ মুহূর্তে অতি বাতাসে ধানগাছগুলো ভেঙে পরেছে। এবছর চাষাবাদ করে আমি তিন লাখ টাকা ঋণ করেছি। ধান বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করব। এখন আল্লাহ্ যা করবে তাই হবে কিনা।
পাখিমারা এলাকার কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, ঝড়ো হাওয়ার কারণে আমাদের গ্রামের প্রায় ২৫ বিঘা জমির ধান নুয়ে পড়েছে। এ নিয়ে এলাকার কৃষকেরা বেশ চিন্তিত। এখন পর্যন্ত কৃষি অফিস থেকে কেউ নির্দেশনামূলক কিছু জানায়নি।

কলাপাড়া উপজেলার কৃষক মজিবুর রহমানের জানান, আমরা উপকূলের কৃষক হিসেবে বেশিরভাগ সময় ক্ষতির মুখে পড়ি। অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টি যদি আবার এত বড় বন্যা হয় তাহলে আমাদের সব শেষ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন ঢাকা মেইলকে জানান, এ বছর উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৭০০ হেক্টর। ৩৮০ হেক্টর জমিতে সবজি। ইতোমধ্যে ২৫ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদ শেষ করেছে কৃষক। এখন পর্যন্ত বন্যায় এ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।
প্রতিনিধি/এসএস




