মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ভালো রাখতে এবং এর সঠিক পারফরম্যান্স পেতে সময়মতো ইঞ্জিন অয়েল বা লুব্রিকেন্ট পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি। তবে অনেকেই জানেন না যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাইকে ইঞ্জিনের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে ইঞ্জিন অয়েল বা লুব্রিকেন্ট দিতে হয়। সঠিক পরিমাণে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করলে বাইকের মাইলেজ ভালো থাকে এবং ইঞ্জিন দীর্ঘস্থায়ী হয়। এই প্রতিবেদনে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর বিভিন্ন মডেলে কত মিলিলিটার ইঞ্জিন অয়েল লাগে তা তুলে ধরা হলো-
হোন্ডা মোটরসাইকেল
হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০আর বাইকে ১,০০০ মিলি এবং হোন্ডা সিবি শাইন এসপি (১২৫) বাইকে ৯০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে। এছাড়া হোন্ডা এসপি ১২৫ মডেলে ৮৫০ মিলি এবং হোন্ডা লিভো বা ড্রিম ১১০ মডেলে ৮০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল প্রয়োজন হয়।
বাজাজ মোটরসাইকেল
বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ ও এনএস ২০০ মডেলে ১,২০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে। অন্যদিকে পালসার ১৫০ মডেলে ১,০০০ মিলি এবং পালসার ১২৫ বা ডিসকভার ১২৫ মডেলে ৯৫০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল দিতে হয়। এছাড়া ডিসকভার ১১০ ও প্ল্যাটিনা মডেলগুলোতে ৮০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করতে হয়।

টিভিএস মোটরসাইকেল
টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ ৪ভি এবং ১৬০ ২ভি মডেলে ১,০০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে। তবে অ্যাপাচি আরটিআর ২০০ ৪ভি মডেলে ১,২০০ মিলি এবং রাইডার ১২৫ মডেলে ৯৫০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল প্রয়োজন হয়। এছাড়া টিভিএস মেট্রো প্লাস ও স্টার সিটি প্লাস মডেলে ৮০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে।
ইয়ামাহা মোটরসাইকেল
ইয়ামাহা এফজেড এস ভি৩ মডেলে ১,১০০ মিলি এবং হাই-পারফরম্যান্স যামাহা আর ১৫ ভি৩ বা ভি৪ মডেলে ১,৩০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল দিতে হয়। এছাড়া যামাহা এমটি-১৫ মডেলে ১,০৫০ মিলি এবং স্যালুটো মডেলে ৯০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে।
আরও পড়ুন: পেট্রোল-অকটেন কি লিটারে ভরবেন নাকি টাকার অংকে? কোনটা লাভজনক
সুজুকি মোটরসাইকেল
সুজুকি জিক্সার ১৫৫ এবং জিক্সার এসএফ মডেলে ১,০০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল প্রয়োজন হয়। এছাড়া সুজুকি ব্যান্ডিট মডেলে ১,৫০০ মিলি এবং জিএসএক্স-আর১৫০ মডেলে ১,৪০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে। সুজুকি অ্যাক্সেস ১২৫ স্কুটারে ৯০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল দিতে হয়।

রানার মোটরসাইকেল
রানার টার্বো ১২৫ মডেলে ৯৫০ মিলি এবং রানার বোল্ট ১৬৫আর, নাইট রাইডার ১৫০ ও রেঞ্জার ১৫০ মডেলে ১,০০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে। রানার এডি৮০এস বা ফ্লেম ১০০ মডেলে ৮০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল দিতে হয়।
হিরো মোটরসাইকেল
হিরো হাংক ১৫০আর মডেলে ১,০০০ মিলি এবং হিরো ইগনিটর ১২৫ ও গ্ল্যামার মডেলে ৯০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল লাগে। এছাড়া হিরো এইচএফ ডিলাক্স, স্প্লেন্ডার প্লাস এবং প্যাশন এক্সপ্রো মডেলে ৮০০ মিলি ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করতে হয়।
এজেড




